কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কেন লিখি? (২০২৪)
তারিখ: ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
আমার চারপাশের মানুষদের সাথে কথা বলে দেখেছি, বেশীরভাগ সময়ই তাদের কাছ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমন্ধে নেগেটিভ এবং ভীতিকর মন্তব্য পেয়েছি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে একেবারেই ভয়ের কিছু নেই, তা আমি অস্বীকার করছি না, তবে সেই সাথে আমাদের জানা প্রয়োজন এর ভালো দিক গুলি। এটি কিভাবে বর্তমানে ভালো ভূমিকা রাখছে- যা এই প্রযুক্তি ছাড়া সম্ভব ছিল না। এছাড়া ভবিষ্যতে আরো কোথায় এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভূমিকার রাখতে পারে তা আমাদের জানা প্রয়োজন।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লব যাকে আমি "ডিজিটাল জামানা" বলে সজ্ঞায়িত করি, সেই যুগে টিকে থাকার জন্য আমাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমন্ধে ভালোমতন জানতে হবে। আজকের যুগে যেভাবে কম্পিউটার প্রযুক্তি আমাদের জন্য জানা অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছে, তেমনি এই "ডিজিটাল যুগে" আমাদেরকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমন্ধে জানতে হবে।
আপনাদের মনে আছে নিশ্চয়, আমরা যখন কম্পিউটার ব্যবহার করা শুরু করলাম তখনও অনেকেই বলেছিলেন যে এই কম্পিউটার আমাদের সমাজের জন্য বিপদজনক, এবং তা অনেকের চাকুরি খেয়ে নিবে। সেই একই রকম ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়েও আমাদের সেই ভয়।
এর একটি কারণ অবশ্যই আমাদের অজ্ঞতা। আবার দোষটা ঠিক আমাদেরও নয়, অন্য কারণটি হল বাংলা ভাষায় এই সংক্রান্ত লেখা খুবই কম। আমাদের কাছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমন্ধে সঠিক তথ্য নেই। পজিটিভ তথ্যের থেকে, ভয় এবং গুজব আমরা ছড়াতে ভালোবাসি এবং প্রকৃতিগত ভাবে তা দ্রুত ছড়ায়।
সেই প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্যদিকগুলি পাঠকদের কাছে পৌছে দেবার জন্যই আমার এই উদ্দ্যোগ। এই সংক্রান্ত লেখাগুলি পরবর্তিতে একটু গুছিয়ে, বই আকারে একটি বাস্তব আকার দেবার ইচ্ছে আছে।
একজন লেখক অনেক কারনেই লিখেন। তবে আমি লিখি- তা আমার নেশা বলে। একটি লেখা সমাপ্ত হবার পরে, আমি একটি অন্যধরনের প্রশান্তি অনুভব করি, যা ঠিক ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। লেখকরাই এই বিরল অভিজ্ঞতা পাবার সৌভাগ্য পায়। সেই অনুভুতি বার বার পাবার জন্যই লিখতে বসা।
চলুন শুরু করা যাক- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আমাদের ভ্রমণটি।
(চলবে)