ড. সাজ্জাদের সাথে আলাপচারিতা (২০২৩)
তারিখ: ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
টপিক: Product Innovation and Design by Amazon’s Working Backward Method and Bootstrapping
এই পর্বে ড. মশিউর রহমান তার প্রথম দিকের স্টার্টআপ, একটি যানবাহন ট্র্যাকিং সিস্টেম সম্পর্কে তার অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। কেন তিনি সেই স্টার্টআপে ব্যর্থ হয়েছেন এবং কেন অ্যামাজনের "ওয়ার্কিং ব্যাকওয়ার্ড" পদ্ধতিটি নতুন স্টার্টআপ বা পণ্য ডিজাইনের জন্য অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্টার্টআপগুলির জন্য বুটস্ট্র্যাপিং পদ্ধতির পাশাপাশি স্টার্টআপ তৈরি করতে ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য সফট স্কিলের গুরুত্ব সম্পর্কেও কথা বলেন।
ড. মশিউর রহমান একজন বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদ। বর্তমানে, তিনি ওমরন হেলথকেয়ার সিঙ্গাপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত এবং এশিয়া প্যাসিফিক দেশগুলিতে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি আমেরিকার মার্শাল বিশ্ববিদ্যালয়, সিঙ্গাপুরের এস্টার, বাংলাদেশের নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ হিসেবে কাজ করেছেন। পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন বাংলা ভাষায় প্রথম বিজ্ঞান পোর্টাল, বিজ্ঞানী.অর্গ (biggani.org ) যেটি ২০১০ সনে শ্রেষ্ট জাতীয় ই-কন্টেন্ট এবং ICT4D পুরস্কার পেয়েছে। তার লিখিত বই “সফল ক্যারিয়ার গড়ার উপায়" ২০২১ সনে প্রকাশিত হয়।বর্তমানে বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদের ক্যারিয়ার ও উচ্চশিক্ষার কাউন্সেলিং, এবং মোটিভেশনাল স্পিকার হিসাবে কাজ করছেন। জনহিতকর কাজের জন্য, তাকে ২০১৪ সনে ISIF এশিয়ার দূত হিসাবে মনোনীত হয়েছিলেরন। তার ওয়েবসাইট DrMashiur.com.
https://www.youtube.com/watch?v=16zan4CajvU
আলোচয় বিষয়: স্টার্টআপ প্রোডাক্ট ইনোভেশন ও ডিজাইন এবং অ্যামাজনের 'ওয়ার্কিং ব্যাকওয়ার্ডস' (Working Backwards) মেথড। সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: সাজ্জাদ হোসেন সাক্ষাৎকার প্রদানকারী: ডক্টর মশিউর রহমান (বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদ)
[০০:০০] সাজ্জাদ হোসেন: আসসালামু আলাইকুম ভিউয়ার্স। আজকে আমরা কথা বলব স্টার্টআপ তৈরি করার জন্য যখন কোনো একটা প্রোডাক্ট নিয়ে আমরা চিন্তা করি, নতুন প্রোডাক্ট ইনোভেশন এবং ডিজাইনের ক্ষেত্রে অ্যামাজনের ‘ওয়ার্কিং ব্যাকওয়ার্ডস’ একটা মেথড আছে। এই মেথডটা নিয়ে মূলত আজকে আলোচনা করব। তো আমাদের সাথে আছেন ডক্টর মশিউর রহমান, উনি একজন বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদ। বর্তমানে তিনি ওমরণ হেলথকেয়ার (Omron Healthcare) সিঙ্গাপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন এবং এশিয়া প্যাসিফিক দেশগুলোতে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। উনি ২০০৫ সালে জাপান থেকে পিএইচডি করেন, এর পরে আমেরিকার মার্শাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি অধ্যাপনা করেন এবং ২০০৭-২০০৮ সালের দিকে উনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে এসে যোগ দেন। তারপরে ২০১১ সালে আবার সিঙ্গাপুরে যান এবং সেখানে এখন যেমনটি বললাম যে ওমরণ হেলথকেয়ারে কাজ করছেন এবং সিঙ্গাপুরের এ-স্টার (A*STAR) রিসার্চ ইনস্টিটিউটেও উনি কাজ করেছিলেন। এর পাশাপাশি উনি ২০১০ সালের দিকে বাংলা ভাষায় প্রথম বিজ্ঞান পোর্টাল যেটা ‘বিজ্ঞানী ডট অর্গ’ (biggan.org) নামে পরিচিত এবং এটা তখন শ্রেষ্ঠ জাতীয় ই-কন্টেন্ট এবং আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পুরস্কার পেয়েছিল। ২০২১ সালে উনি ‘সফল ক্যারিয়ার গড়ার উপায়’ এই নামে একটা বই প্রকাশ করেছেন এবং বর্তমানে বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের ক্যারিয়ার ও উচ্চ শিক্ষার কাউন্সেলিং এবং মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবেও কাজ করছেন। ২০১৪ সালের দিকে উনি আইএসআইএফ (ISIF) এশিয়ার দূত হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন জনহিতকর কাজের জন্য। সো, তার ওয়েবসাইট drmoshiur.com। সো লেটস ওয়েলকাম ডক্টর মশিউর ভাইকে। কেমন আছেন আপনি?
[০১:৪০] ডক্টর মশিউর রহমান: হ্যাঁ ভালো আছি, ধন্যবাদ আমাকে আজকে ইনভাইট করার জন্য এবং এই সময়টা দেওয়ার জন্য।
[০১:৪৬] সাজ্জাদ হোসেন: আপনাকেও ধন্যবাদ আপনি আমাদের সময় দিচ্ছেন। তো আজকে যেহেতু আমরা অনেক স্টার্টআপ নিয়ে কথা বলছি বাংলাদেশে একটা ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে, কিন্তু আমার জানামতে আপনি তো আসলে আরও অনেক আগেই এই স্টার্টআপ নিয়ে কাজ করেছিলেন। আপনি যখন ২০০৮ থেকে ২০১১ সালের দিকে নর্থ সাউথে ছিলেন তখনও আপনি আসলে একটা স্টার্টআপ দিয়েছিলেন এবং আপনার একটা অভিজ্ঞতা আছে। তো আমরা আসলে ওইটা সম্বন্ধে একটু জানতে চাই যে আপনি কি দিয়ে শুরু করেছিলেন।
[০২:১১] ডক্টর মশিউর রহমান: আচ্ছা ধন্যবাদ আজকে এই করার জন্য। আমি ২০০৮-এ আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে ব্যাক করে শিক্ষকতা করছিলাম নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই সময়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের আন্ডারগ্রাজুয়েট স্টুডেন্টরা তাদের গ্রাজুয়েশন প্রোগ্রামের জন্য তারা একটা থিসিস বা একটা প্রজেক্ট তারা করেন। ব্যাপারটা একটু গল্প করে যদি বলি তাহলে হলো একটা গাড়ি থাকবে, সেই গাড়িটাকে আমি ঘরে বসে আমি ট্র্যাক করতে পারবো আমার গাড়িটা কোথায় আছে। আমাদের সেই সময়ে আমাদের একটা সোশ্যাল প্রবলেম ছিল যে আমাদের গাড়িগুলো যারা কার ওনার, গাড়িগুলো সাধারণত অবশ্যই একজন ড্রাইভার রাখতো এবং সে ড্রাইভার বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত পরিবারকে বা অফিসের বিভিন্ন কাজে। কিন্তু একটা চ্যালেঞ্জ ছিল সে ড্রাইভাররা সেই গাড়ি থেকে তেল চুরি করে নিতো—একটা সমস্যা; আরেকটা সমস্যা ছিল যে ড্রাইভাররা অনেক সময় অন্য জায়গায় ট্রিপ দিত। তিন নম্বর সমস্যাটা হচ্ছে গাড়িটা চুরি হয়ে গেলে গাড়িটা কোথায় গেল আমি টের পাচ্ছি না। তো এগুলো কোনো সলিউশন ছিল না। তো আমরা তখন একটা সলিউশন আনার চেষ্টা করলাম যে গাড়ি মালিকদের জন্য যে তারা ঘরে বসে দেখতে পাবে যে আমার গাড়িটা এই মুহূর্তে আমার কোথায় আছে। অর্থাৎ আমি সর্বক্ষণ আমি ট্র্যাক করতে পারবো যে আমার গাড়িটা এই জায়গায় রয়েছে। তো এখান থেকেই চলে আসলো কার ট্র্যাকিং সিস্টেমের কনসেপ্টটি যেটা ২০০৮-এর দিকে আমরা শুরু করলাম।
[০৩:৩৯] সাজ্জাদ হোসেন: এখানে আমি যদি একটু বলি যে আপনি যখন এটা শুরু করলেন ২০০৮ সালের দিকে তখন তো আসলে স্মার্টফোন ছিল না বা অ্যাপের ধারণাটাও ছিল না। তো তখন আসলে গাড়ি ট্র্যাকিংটা কীভাবে চিন্তা করেছিলেন?
[০৩:৫০] ডক্টর মশিউর রহমান: হ্যাঁ ২০০৮-এর শুরুর দিকে গুগল অ্যানাউন্সমেন্ট করলো যে তারা মোবাইল নিয়ে আসবে গুগল ফোন আর অ্যাপল তখন তার আগের বছরে অ্যাপল একটা তাদের ফার্স্ট প্রোডাক্টটা লঞ্চ করে—আমি খুব সম্ভবত অক্টোবর ২০০৭-এর দিকে। ইন্টারনেটে মোবাইলে গাড়ি থেকে ইনফরমেশনটা চলে যেত সার্ভারে যেটা আপনার কম্পিউটারে দেখা যেত। অর্থাৎ গাড়ি থেকে যে সিগন্যালগুলো ট্রান্সফার করছি সেটা সমস্ত কিছু আমি টু-জি (2G) বা টু পয়েন্ট ফাইভ-জি (2.5G) দিয়ে ট্রান্সফার করছি—তখনো কিন্তু থ্রি-জি আসেনি। এবং ওইটা দিয়ে গাড়ির তথ্যগুলো সার্ভারে চলে যাচ্ছে কিন্তু সার্ভার থেকে ইউজারের কাছে আমি তখন এসএমএস দিয়ে দেখাচ্ছি অথবা মোবাইল ফোন দিয়ে দেখাচ্ছি। তখনও স্মার্টফোন আসেনি, এই আসবো আসবো ভাব মানে ই হচ্ছে রুমর হচ্ছিল।
[০৪:৪২] সাজ্জাদ হোসেন: আচ্ছা তাহলে এখন যেহেতু আমরা স্টার্টআপ নিয়ে জানি যে কীভাবে এটা ডেভেলপ হয় বা ফান্ডিং সাইকেলগুলো আসলে যেমন অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর আছে, ভিসি ক্যাপিটাল আছে, এখন অনেক ম্যাচিউর আমাদের বাংলাদেশের কোম্পানি। রাইট। তো আপনি কি এরকম কোনো ফান্ডিং পেয়েছিলেন আপনার প্রজেক্টের জন্য?
[০৫:০৪] ডক্টর মশিউর রহমান: হ্যাঁ আমরা এখনকার টার্মে যেটা আমরা অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর বলি ঠিক সেরকম সেই সময়ে আমি একজন অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর পাই। ছয় মাসের মধ্যে আমরা মোটামুটি প্রোডাক্টটা একটা ড্রাফট আমরা মোটামুটি তৈরি করতে পারি, ডেমোটা তৈরি হয়ে যায় যেটা মোটামুটি ওয়ার্কেবল একটা প্রোটোটাইপ যেটা আমরা বলি আর কি। অর্থাৎ কাজ করছে এরকম একটা প্রোটোটাইপ। নট অনলি ডেমোস্ট্রেশন মানে ইউনিভার্সিটিতে যে ডেমোস্ট্রেশনটা করা হয় সেটা তো জাস্ট একটা শো করা হয় কিন্তু যখন এটা আরেকটু কাজের উপযোগী তো সেজন্য আমরা চীন থেকে কিছু ডিভাইস নিয়ে আসছিলাম, ইতালি থেকে কিছু ডিভাইস নিয়ে আসছিলাম। সে ডিভাইসগুলো তৈরি করে আমরা প্রথম একটা প্রোটোটাইপ তৈরি করি যে যন্ত্রটা কাজ করবে। তো সেরকম একটা প্রোটোটাইপ।
[০৫:৫৮] সাজ্জাদ হোসেন: আপনাদের এই যন্ত্র কতগুলো গাড়িতে ইন্সটল করা ছিল বা আপনাদের কোনো কাস্টমার ছিল কি না?
[০৬:০৩] ডক্টর মশিউর রহমান: না ওই সময় আমরা জাস্ট আমাদের একটা প্রোটোটাইপ হিসেবে আমরা গাড়ির সাথে লাগিয়ে আমরা দেখাচ্ছিলাম একটা প্রোটোটাইপ আমরা তৈরি করেছিলাম।
[০৬:১০] সাজ্জাদ হোসেন: আপনি যখন ভিসি ইনভেস্টরের কাছে গেলেন অথবা ভেঞ্চার ক্যাপিটালের জন্য সার্চ করলেন তখন তাদের কাছ থেকে কী ফিডব্যাক পেলেন?
[০৬:১৮] ডক্টর মশিউর রহমান: এটা তারপরে আমরা ২০০৯-এর শুরুর দিকে তখন আমরা চলে গেলাম ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টের কাছে যে এই ধরনের একটা প্রোটোটাইপ আমরা তৈরি করেছি এবং উনাকেও আমরা একটা ডেমোস্ট্রেশন দিলাম উনার বনানীর অফিসে এবং উনিও তখন এটা খুব আগ্রহ ফিল করলেন এবং বললেন যে ঠিক আছে এটা উনারা আগ্রহী করতে কিন্তু একটা মার্কেট রিসার্চ করা লাগবে। অর্থাৎ মার্কেটে এটা কি দামে দিতে পারবো এবং কত দামে কোন জায়গাতে বিক্রি হবে এই জায়গাটাতে আমাদেরকে একটু তথ্য দিতে বললেন। তো সেই সময় আমি তখন একজন ইন্টার্ন স্টুডেন্ট একজনকে নিয়ে এবং তিনজন ইন্টার্ন স্টুডেন্টকে নিয়ে মার্কেট রিসার্চে তখন তাদেরকে পাঠাই যে এই প্রোডাক্টটা তো আমরা তৈরি করলাম, ঠিক আছে আমি এখন বাজারে এটা কত দামে বিক্রি করবো? এই উত্তরগুলো আমরা তখন বের করার চেষ্টা করলাম। এবং ২০০৯-এর প্রায় মাঝামাঝির দিকে এসে আমরা তখন বুঝতে পারলাম যে আসলে আমরা যেভাবে ভেবেছিলাম যে এটা সমস্যার সমাধান করবে গাড়ির মালিকদের এবং তারা কিনতে আগ্রহী হবে—কিন্তু পরে দেখা যাচ্ছে যে যেহেতু এটা একটা জিপিএস বেসড সিস্টেম তখনও মোবাইল ফোন আসেনি—পুরো সিস্টেমটা আপনার দাম চলে আসছে প্রায় ২৫ হাজার টাকার মতো যেটা একটু তাদের জন্য একটু এক্সপেনসিভ হচ্ছিল। যে একটা গাড়ি ট্র্যাকিং করবার জন্য এত টাকা দিতে হবে আবার প্রতি মাসে একটা সার্ভিস ফি রয়েছে। তো যে কারণে এটা কোনভাবেই তাদের মানে নিডের সাথে ম্যাচ হচ্ছিল না কোনভাবেই। তো সেটাও আমরা বিভিন্ন ধরনের মডেলগুলো ডেভেলপ করছিলাম এবং একটা সময় বুঝলাম যে না এটা আসলে মার্কেটে ফিট হচ্ছে না আর কি। আমরা তৈরি করেছি বটে জিনিসটা এক্সিলেন্ট, জিনিসটা খুবই ভালো—দ্যাটস অল। তারা দেখছে এবং খুব মজাও পাচ্ছে, আচ্ছা তাহলে হ্যাঁ এটা ভালো আর কি। যেমন একটা খুব ভালো একটা দামী জিনিস দেখলাম ওকে হ্যাঁ ভালো লাগলো দ্যাটস অল। কিন্তু না আমি কিনবো না কারণ এটা এফোর্ড করতে পারছি না বা যে দামে আমার নিডটা সার্ভ করবে সেই জায়গাটাতে আমার মিসম্যাচ হচ্ছে না আর কি। তো আমরা পরবর্তীতে যখন এই মার্কেট ফিডব্যাক পেলাম তারপর আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠান শাটডাউন করলাম আর কি। রাইট। এবং এখানে একটা জিনিসই আমি শিখলাম সেটা হলো মার্কেট না বুঝে ঝাঁপ দেওয়া যাবে না। আমরা প্রযুক্তিবিদরা যখন একটা প্রযুক্তি তৈরি করি তখন এত এক্সাইটেড থাকি যে প্রযুক্তিটাকে ভালোবেসে ফেলি এবং মার্কেটে এটার প্রয়োজন আছে কি না আই ডোন্ট কেয়ার। আমি এটা তৈরি করবো। তৈরি করে তারপর ঝাঁপ দিবো আর কি অর্থাৎ পানিতে আমি ঝাঁপ দিচ্ছি কিন্তু পানিটা আসলে গভীর কি গভীর না আই ডোন্ট কেয়ার। মানে আমার জিনিসটা তৈরি করেছি এরকম একটা স্যুট তৈরি করেছি আমি এটা নিয়ে পানিতে ঝাঁপ দিতে চাই। বা এরকম একটা নৌকা তৈরি করেছি নৌকাটা আদৌ সাস্টেইন করবে কি না ফুটো আছে কি না আই ডোন্ট কেয়ার আমি নৌকাটা চালাবো আর কি সমুদ্রের মধ্যে। তো সেটা সম্ভব হয় না যেটা আমরা বুঝতে পারলাম যে মার্কেট না বুঝে ঝাঁপ দেওয়া যাবে না। প্রোডাক্ট তৈরি করার আগে আমাকে কাস্টমারের ভয়েসগুলো বুঝতে হবে যেটা এই শিখতেই আমার প্রায় এটা শুধু আমার না আমাদের টিমে যারা ছিল তারা সবাই ইনক্লুডিং আমাদের অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর এবং যারা ভিসি ছিলেন তারা সবাই একমত হলো এবং তারপর আমরা এটাকে শাটডাউন করলাম।
[০৯:৫২] সাজ্জাদ হোসেন: রাইট। সো মূলত এই কারণেই আজকের আমাদের এই আড্ডাটা যে আমরা আসলে এজ এ প্রযুক্তিবিদ প্রযুক্তি জানি এবং একটা প্রোডাক্ট ডেভেলপ করে মার্কেটে যাওয়ার চেষ্টা করি কিন্তু আসলে ব্যাপারটা তা না। অ্যামাজনও আসলে এই ভুলটা করেছিল তার আর্লি কিছু প্রোডাক্টের জন্য যে তারা একটা প্রোডাক্ট তৈরি করে তারপরে যখন তারা মার্কেটে যায় মনে করে যে না এটা কাজ করবে কিন্তু আলটিমেটলি ফেইল করে। সো দেন দে বেসিক্যালি এডাপ্ট দা কাস্টমার সেন্ট্রিক ভিউ অফ প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং যার কারণে তারা অ্যামাজন ওয়ার্কিং ব্যাকওয়ার্ড মেথডের কথা বলতেছে।
[১০:২৪] ডক্টর মশিউর রহমান: এখন অনেক দেশেই অনেক প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে এই কনসেপ্টটা ব্যবহার করা হয় যেটা অ্যামাজন গ্রহণ করেছে। এটাকে ওরা বলছে ওয়ার্কিং ব্যাকওয়ার্ড একটা পদ্ধতি। আমাদের একটা এক্সাম্পল আমরা আমি উদাহরণ হিসেবে বলি বাংলাদেশে যেটা সবাই সবাই যেটা করে প্রথম হচ্ছে যে ঠিক আছে আমি একটা ইআরপি (ERP) তৈরি করতে চাই। তারা সবার কাছ থেকে শুনছে যে আচ্ছা ইআরপি খুব মার্কেটে এখন ডিমান্ড তো তারা নিজেরা অফিসে বসে একটা ইআরপি তৈরি করে করার পর তারপর কাস্টমারের কাছে যায় যে আচ্ছা আমি এরকম একটা ইআরপি তৈরি করেছি আপনি প্লিজ নেন আর কি অনুনয় বিনয় করে তারপর বিক্রি করেন। তারপর সেখানে হয়তোবা তার নিডটা হয়তোবা নাই তার নিডটা ফুলফিল হয় না সেই ইআরপিটাও সেভাবে কাজ করে না তখন এই মিসম্যাচ হয়ে লাস্টে যেটা হয় সেটা হলো কাস্টমারেরও এই ইআরপির প্রতি একটা বিতৃষ্ণা হয়ে যায় যে না এই সলিউশনটা মনে হয় কোনো কাজই হবে না শুধু তাই নয় এই পার্টিকুলার ভেন্ডরের প্রতি যে বিতৃষ্ণা হয় তা না তার ধারণা হয়ে যায় যে ইআরপি আসলে তাকে হেল্প করবে না অর্থাৎ প্রোডাক্টটা সম্বন্ধেই তার একটা নেগেটিভ যেটা আমরা অনেক সময় বলি মার্কেটটাই নষ্ট করে ফেলে আর কি। কিন্তু আমরা যদি অ্যামাজনের ওয়ার্কিং ব্যাকওয়ার্ড পদ্ধতি যেটা আমরা যদি করি আর কি সেটাতে ওই ইআরপি প্রডিউসার তার যেটা করা উচিত প্রথম একটা প্রেস রিলিজ তৈরি করে সে আগে জানার চেষ্টা করবে যে আমার কাস্টমার কি কি সমস্যা আছে যেটা আমার ইআরপিটা সলভ করবে। তারপর সে করবে কি ওইরকম কাস্টমার যারা ইআরপিটা কিনতে পারে সেরকম কিছু কাস্টমারের সাথে সে বলবে যে দেখো তো আমি এই ধরনের জিনিস তৈরি করেছি তোমার কোনো কাজে লাগবে কি না তখন তার নিডটাকে সে বুঝবে এবং তখন সে বোঝার চেষ্টা করবে কি রকম প্রোডাক্ট হলে তার জন্য ভালো হয় কোন জিনিসটা তার প্রয়োজন কোন জিনিসটা তার বিজনেসকে বিজনেসকে আরেকটু স্মুথ করবে। এই জিনিসগুলো সে কাস্টমারের সাথে বুঝে তখন সে প্রোডাক্টের স্পেসিফিকেশনটা সম্বন্ধে একটা আইডিয়া পাবে। তারমানে প্রথমেই আমি প্রেস রিলিজটা তৈরি করছি কাস্টমারের কাছে যাচ্ছি তার ফিডব্যাক নিয়ে আমি তারপর প্রোডাক্টের স্পেসিফিকেশনটা করছি। স্পেসিফিকেশনটা যখন আমার তৈরি হয়ে গেল তারপর আমি ডেভেলপারের কাছে গেলাম যে ওয়েল আমি এই স্পেসিফিকেশনে আমার এখানে এতটা বাটন চাই আমি এখানে আমাকে এখানে এই ডাটাগুলো এভাবে দেখাতে হবে এখানে আমার কাস্টমারের ডাটাগুলো ঢোকাতে হবে তখন একটা কনসেপ্টগুলো দাঁড়ায় তখন সে আবার কাস্টমারের কাছে যে তখন সে দেখায় এভাবে উল্টো দিক দিয়ে কাস্টমারের কাছে প্রবলেমগুলো সলভ করার চেষ্টা করে যে কারণে ওয়ার্কিং ব্যাকওয়ার্ড এখন খুবই একটা প্রচলিত একটা পদ্ধতি।
[১৩:০৩] সাজ্জাদ হোসেন: থ্যাংক ইউ মশিউর ভাই। তো আমরা যখন প্রোডাক্ট ইনোভেশন বা ডিজাইন করছি তো অ্যামাজনের ওয়ার্কিং ব্যাকওয়ার্ড মেথড অনেকগুলো মেথডের একটা। এর বাইরেও তো আরো কিছু থাকতে পারে রাইট?
[১৩:১৫] ডক্টর মশিউর রহমান: এখন বুটস্ট্র্যাপিং (Bootstrapping) বলে একটা পদ্ধতি পাশাপাশি আমরা অনেক সময় ব্যবহার করি। বুটস্ট্র্যাপিং পদ্ধতিটা শুধুমাত্র প্রোডাক্টের জন্য না একটা স্টার্টআপের জন্য প্রযোজ্য। অর্থাৎ আমরা সাধারণত স্টার্টআপ যখন তৈরি করি তখন প্রথমে তো অবশ্যই স্টার্টআপ কোনো একটা প্রবলেমকে দিয়ে এবং সাধারণত প্রোডাক্টটা দিয়ে তৈরি করে কারণ স্টার্টআপ মানেইটা হচ্ছে যে আমি মার্কেটটা সম্বন্ধে জানি না অনেক কিছু অজানা তথ্য থাকে অনেক কিছু অজানা থাকে যেটা সে কোনো একটা জিনিস তৈরি করে প্রবলেমটা সলভ করার চেষ্টা করে। এই অজানা থাকার কারণে অনেক রিস্ক ফ্যাক্টও থাকে বলেই আমরা স্টার্টআপ বলি। যেমন আমি যদি পাড়াতে কোনো মুদির দোকান দিই তাহলে কিন্তু স্টার্টআপ হবে না আর কি কিংবা আমি যদি একটা অনলাইন পোর্টাল দিই সেটাকে আমরা স্টার্টআপ বলবো না কারণ হচ্ছে সেটা তো অলরেডি সেই প্রবলেমগুলো আমরা জানি। কিন্তু স্টার্টআপ যেহেতু সাধারণত আননোন প্রবলেম আননোন কাস্টমার কাস্টমার আছে কি না তাও জানি না সেই জায়গা থেকে শুরু করে সেজন্য অনেক সময়ই স্টার্টআপগুলো একটা প্রবলেম দেখা যাচ্ছে আচ্ছা ঠিক আছে আমি পণ্য না হয় আমি তৈরি করলাম না বুঝলাম অ্যামাজনের মতন আমি ওয়ার্কিং ব্যাকওয়ার্ডস আমি প্রোডাক্টটা না হয় পরেই তৈরি করলাম বুঝলাম। কিন্তু আমার কাস্টমারও তো আমার নাই এই কাস্টমার কার কাছে যাবো কাস্টমারকে কিভাবে খুঁজে পাবো এই জায়গাগুলোতে এসে তখন স্টার্টআপ যারা করতে চায় তাদের জন্য একটা গাইডলাইন হচ্ছে বুটস্ট্র্যাপিং মেথড যেটার মানেটা হলো অনেকটা কাস্টমারের সাথেই জিনিসগুলোকে তৈরি করা। যেমন মনে করা যাক প্রথমে আমি যে উদাহরণটা দিলাম ইআরপির প্রবলেমটা। ইআরপির প্রবলেমটা তাহলে একটা পটেনশিয়াল একজন কাস্টমারকে খুঁজে বের করতে হবে যার কোনো একটা প্রবলেম সে সলভ করতে চায়। অবশ্যই যে স্টার্টআপ দিচ্ছে সে তো জানে যে আমি এই বিষয় নিয়ে কাজ করতে চাই সে জানে যে আমি একটা সফটওয়্যার সলিউশন দিতে চাই যেটা একটা ইআরপি জাতীয় যেটা কোনো একটা কাস্টমারের এই ধরনের প্রবলেমটা তখন সে কাস্টমারের কাছে যাবে এবং তার প্রয়োজন অনুযায়ী জিনিসগুলোকে তৈরি করবে এবং তাকে কাস্টমারকে দিতে থাকবে। এবং কাস্টমার একটা ছোট অ্যামাউন্ট হলেও তাকে পেমেন্ট করবে। এখানে বুটস্ট্র্যাপিং মেথডে একটা সুবিধাটা হলো যে একটা ক্যাশ ফ্লোটা একটু ছোট ছোট করে ক্যাশ ফ্লো গুলো হয় এবং ক্যাশ ফ্লো হওয়ার কারণে তখন সে একেবারে জিরো না সে কিছু ক্যাশ ফ্লো হচ্ছে এবং পাশাপাশি সে কিন্তু একটা প্রোডাক্টও ডেভেলপ করছে। তারপর একজন কাস্টমার থেকে সে আরেকজন কাস্টমারের কাছে যায় তখন সে চেষ্টা করে যে তার প্রোডাক্টটাকে এমনভাবে তৈরি করতে যেন দুটো দুজন কাস্টমারকে সে প্রবলেম সলভ করতে পারবে। এভাবে দুজন থেকে তিনজন এভাবে আস্তে আস্তে আস্তে করে বুটস্ট্র্যাপিং মানেইটা হচ্ছে যে আমি নিজেই আমার ছোট জায়গা থেকে শুরু করলাম কাস্টমারের সাথে সাথে আস্তে আস্তে আমি গ্রো আপ করলাম। এবং সাধারণত বুটস্ট্র্যাপিংগুলো নিজের ফান্ড দিয়ে তৈরি হয় যে কারণে অনেক সময় ভিসি অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর কারো উপর ডিপেন্ড করতে হয় না এবং ইকুইটিটা শেয়ার করা লাগে না অর্থাৎ আমার সবকিছু আমার কাছেই থাকলাম থাকলো এবং আমি রিস্কগুলো আমি নিলাম এবং পাশাপাশি আমি কাস্টমারের সাথে গ্রো করলাম। বুটস্ট্র্যাপিং মেথডটা এখন অনেকটা পপুলার কারণ হচ্ছে যে এখানে একটা মানি ফ্লো টা হয় এবং পাশাপাশি আমি একটা কাস্টমারের সাথে আমি প্রোডাক্টটা ডেভেলপ করছি কিন্তু একটা সমস্যা হয় যে সেটা হলো প্রোডাক্টটা তৈরি করতে অনেক সময় লাগে অর্থাৎ নরমালি একটা ভিসি বা একটা সিড ফান্ড পেলে বা স্টার্টআপ ফান্ড পেলে খুব সহজে আমি একটা প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারি কিন্তু এখানে একটা কাস্টমারের সাথে প্রোডাক্টটা তৈরি করতে যাচ্ছি আমি সেখানে দুই বছর তিন বছর পাঁচ বছর লেগে যায়। কিন্তু এটা বুটস্ট্র্যাপিং এ একটা সুবিধা হয় যেহেতু আমি কাস্টমারের সাথে তৈরি করছি এটা মোচ মোর ম্যাচিউর মানে অনেকটা আমার ওই স্টার্টআপের থেকে অনেকটা ম্যাচিউর কারণ হলো আমি আমার কার ট্র্যাকিং সিস্টেম না জেনে আমি তৈরি করেছি আর বুটস্ট্র্যাপিং মেথডে অন্তত আমি একটা কাস্টমারকে নিয়ে আমি তৈরি যদি করতাম তাহলে অন্তত আমি আমাকে একদম নিঃস্ব মানে দুই বছর আমার লাগতো না এই জিনিসটা শিখতে। তো সেজন্য বুটস্ট্র্যাপিং মেথডটা এখন বেশ পপুলার। আমার শেষে একটা মেসেজ রয়েছে যে আমরা আসলে এখন স্টার্টআপগুলো আমরা দেখতে পাচ্ছি যে বেশিরভাগ সময়ে আমরা প্রযুক্তিবিদরা তৈরি করছি তার একটা প্রধান কারণ হলো স্টার্টআপগুলোই তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে যেমন ক্রিপ্টোকারেন্সি বা আরো ধরনের প্রযুক্তি যেগুলো আসলে নন-টেক পিপলদের জন্য এটা বোঝা কঠিন। সে হয়তো ফাইনান্সের ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে সে তার জন্য কিন্তু টেকনোলজি বোঝাটা একটু কঠিন। একজন টেকনোলজিস্ট কিন্তু প্রযুক্তিটা বোঝে যে কারণে স্টার্টআপগুলো সাধারণত টেকনোলজিস্টদেরকে দিয়েই তৈরি করা হচ্ছে বা শুরু হচ্ছে। কিন্তু একটা বড় একটা সমস্যা যে আমরা প্রযুক্তিবিদ বা ইঞ্জিনিয়ার বা টেকনোলজিস্টরা আমাদের যে ফাইনান্সিয়াল নোহাউ (Know-how) টা নাই সেহেতু আমরা এখানে বাধাগ্রস্ত হচ্ছি বা পড়ে যাচ্ছি বা ধাক্কা খাচ্ছি। তো আমি সেজন্য সাজেশন করবো যে যারা স্টার্টআপ করতে চায় বিশেষ করে প্রযুক্তিবিদ তাদেরকে পাশাপাশি ফাইনান্সিয়াল ব্যাকগ্রাউন্ডে কিছু হোমওয়ার্ক পড়াশোনা করা এবং নন-টেক যে সমস্ত বিষয়গুলো রয়েছে সফট স্কিলগুলো রয়েছে একটা টিম কিভাবে ডেভেলপ করতে হবে আমি কাস্টমারের সাথে কিভাবে নেগোশিয়েশন করবো কিংবা প্রাইস কিভাবে বসাবো কিংবা ফান্ড কিভাবে কালেকশন করবো যে কিভাবে আমি পিচ দিবো এই জিনিসগুলো কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র আমি ইঞ্জিনিয়ারিং করলাম আর আমি কিছু জানি না সেটা দিয়ে কিন্তু চলবে না। পাশাপাশি সফট স্কিল এবং পাশাপাশি নন-টেক বিষয়গুলো খুবই দরকার। তো সেজন্য আমি সবসময় এখন সাজেশন করি বা ইনকারেজ করি যে এই সফট স্কিলগুলো ডেভেলপ করার জন্য এবং ফাইনান্সিয়াল ব্যাপারগুলো বোঝার জন্য এই টেকনোলজিস্টদেরকে। সেজন্য আমি সবসময় সফট স্কিলের প্রতি এখন গুরুত্ব দিচ্ছি।
[১৮:৫৯] সাজ্জাদ হোসেন: থ্যাংক ইউ ডক্টর মশিউর ভাই। তো আপনার তো সফট স্কিলের বোধহয় কোনো ওয়েবসাইটও আছে তাই না?
[১৯:০৫] ডক্টর মশিউর রহমান: আমি মূলত বই লিখি। একটা বই প্রকাশিত হয়েছে ‘সফল ক্যারিয়ার গড়ার উপায়’ নামে যেখানে আমি স্টার্টআপে আমার এই জার্নিটাকে গল্প আকারে লিখেছি। আর আমি দ্বিতীয় আরেকটি বই এবারের বইমেলায় বের করতে যাচ্ছি সেটা হলো পার্সোনাল ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর যেটা আমাদের এই ডিজিটাল জামানায় খুব প্রয়োজন একটা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া সামনে আমার ইচ্ছা রয়েছে স্কিল ডেভেলপমেন্ট ডিজিটাল জামানায় স্কিল ডেভেলপমেন্ট এই জাতীয় কোনো বই লেখার ইচ্ছা রয়েছে। তো আমি এই দিকে এবং সফট স্কিলের ওপর আমার কিছু ভিডিও সিরিজ আমি ইউটিউবে আমি প্রচারিত করি।
[১৯:৫৪] সাজ্জাদ হোসেন: থ্যাংক ইউ ডক্টর মশিউর ভাই, থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ।
[১৯:৫৮] ডক্টর মশিউর রহমান: ধন্যবাদ সাজ্জাদ হোসেন ভাই আমাকে সময় দেওয়ার জন্য। আপনার সাথে আমি দীর্ঘদিন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কাজ করেছি কিন্তু আপনার এই যে উদ্যোগ এবং মানুষের কাছে জিনিসগুলো পৌঁছে দিতে চান এই তথ্যগুলো এবং ইয়ং এন্টারপ্রেনারদেরকে নিয়ে আপনি চমৎকার কিছু কাজ করছেন এটা আসলে অনেক প্রশংসনীয়। আল্লাহ তাআলা আপনাকে সফলতা দান করুক আমি সে কামনা দোয়া করছি।
[২০:২৭] সাজ্জাদ হোসেন: ধন্যবাদ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।