মশিউরের খেরোখাতা

উদ্ধৃতি সমূহ

ফেসবুক সহ বিভিন্ন প্লাটফর্মে আমার দেয়া পোস্টগুলি এইখানে সংরক্ষিত করা আছে-

২৯ আগষ্ট ২০২১

আজ ২৯ শে আগস্ট হল "বেশী ভেষজ ও কম লবণের দিন" এটি হালকাভাবে নিলেও এই দিনে আপনি কতটা লবণ গ্রহণ করছেন তা পুনরায় মূল্যায়ন বা ভাবতে করতে পারেন।

লবণ অবশ্যই আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজন এবং আপনার জন্য খারাপ নয়। তবে অন্য যেকোন কিছুর মতোই, বেশী পরিমানে গ্রহণ করলে শরীরে জন্য খারাপ হতে পারে, যেমন উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের কারণে মোটা হতে পারেন।

কম লবণ গ্রহণ করার একটি ভালো উপায় হল বেশি পরিমাণে ভেষজ বা হার্ব ব্যবহার করা। এইভাবে, আপনি স্বাদ উপভোগ করবেন এবং স্বাস্থ্যকর জীবন উপভোগ করতে পারেন।

২৪ জুলাই ২০২১

সৃষ্টিকর্তা এমন ভাবে আমাদের এই প্রকৃতির জগৎ তৈরি করেছেন যে, আমরা যখনই যে অবস্থায় থাকি না কেন কখনই আমরা পরিপূর্ণতা পাবো না । আমাদের মধ্যে সবসময় একটা অপূর্ণতা এবং সব সময় একটা স্ট্রাগল করার জায়গা থাকবে । যেখানেই আমরা থাকি না কেন , সব সময় আমাদেরকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে কিংবা সব সময় আমাদেরকে জীবন কে চলমান রাখতে হবে। প্রকৃতির সৃষ্টি থেকে ধ্বংস পর্যন্ত (আমরা যাকে কিয়ামত বলি ) তা পর্যন্ত চলমান থাকবে । এখানেই কিন্তু জীবনের সার্থকতা। এখানেই জীবনের সৌন্দর্য । মৃত্যু আছে বলেই জীবন সুন্দর।

২৮ জুন ২০২১

ঢাকার অনেক মানুষ পাবেন যারা বুড়িগঙ্গাই দেখেনি, কিন্তু রাজশাহীর কোন মানুষ নেই যে পদ্মা পাড়ে যায়নি। নদীর সাথে এমনই একাত্মতা রাজশাহীবাসির

২৪ জুন ২০২১

আমরা সূর্যের মতন বিখ্যাত হতে চাই। কিন্তু নিজেকে পুড়িয়ে না জ্বললে - কিভাবে আলো দিব?

২২ জুন ২০২১

মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। যে যত বড় স্বপ্ন দেখতে জানে সে তত সামনে এগিয়ে যায়, সে তত বড় হয়।

১৩ জুন ২০২১

একজন "প্রকৃত মানুষ" সব সময়ই সে কৃতজ্ঞ ও অবনত

১২ জুন ২০২১

জীবন যুদ্ধে “হারা” বলে কোন কথা নেই। আমি একে বলি “জীবন পথে চলা”। আপাতত যেটাকে হারা বলে মনে হয়, আসলে সেটা পথ-এরই একটি অংশ মাত্র। আগুনে পুড়িয়ে গয়না তৈরী হয় - আগুনে পোড়া টা তার সম্পূর্ণতারই একটি অংশ। তাই হেরে যাওয়াটাও জীবনের একটি অংশ। সহজ ভাবেই একে গ্রহণ করে এগিয়ে যেতে হবে।

৮ জুন ২০২১

প্রিয় বন্ধু সেই যে অতীতে আমাকে বুঝে আমার পাশে ছিল। ভবিষ্যতের আমি-কে সাহস দেয় ও আস্থা রাখে। এবং আজকের আমাকে আমার মতনই গ্রহণ করে।

১১ জুলাই ২০১৬

আমরা বরাবরই স্বল্প স্মৃতির রিএকটিভ জাতি। গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানের উদ্দ্যোগের থেকে অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে সময় ও শ্রম দিতে আমাদের আগ্রহ বেশী।

১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

যেভাবে মাথা নিচু করে মোবাইল হাতে করে পথেঘাটে হাটার লোকজন বেড়ে যাচ্ছে তাতে মনে হয় কিছুদিনের মধ্যে যে প্রযুক্তিগুলি খুবই সফল হতে পারে

  • গুগল গ্লাসের মতন, চশমাতেই মোবাইল কিংবা কম্পিউটার স্ক্রীণ দেখা যাবে

  • ভারচুয়াল রিয়ালিটির গগল (ইতিমধ্যেই বাজারে এসেছে)। এটি পড়েই মানুষজন হাটবে। বাহিরে দৃশ্য ভিতরে দেখার ব্যবস্থা থাকবে।

  • রাস্তাঘাটে গর্ত থাকলে, সরকার প্রথমেই এটিতে একটি যন্ত্র বসাবে, যা রেডিও ফ্রিকিউন্সি কিংবা অন্য কোন মাধ্যমে সবার মোবাইলে সংকেত দিবে। কেননা কেউই তাকিয়ে হাটবেনা। মোবাইলে দেখতে দেখতে বুঝবে সামনে গর্ত আছে।

  • মস্তিষ্কেই মোবাইল এমবেড করে নেবার সার্জারি জনপ্রিয় হবে। এই কাজের ডাক্তারদের খুব ডিমান্ড হবে। ফেসবুকের লাইক থেকে শুরু করে মোবাইলের সব কাজ মনে মনেই সারা যাবে।

উদ্ভট শোনালেও সামনে কিন্তু এমনটিই দিন আসবে বলে মনে করি। আরো কোন সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি মনে এলে কমেন্ট করুন।

৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

আমাদের পেশাজীবনের সফলতার মাত্র ৫% নির্ভর করে শিক্ষা যোগ্যতার উপর, ১৫% নির্ভর করে আমাদের লব্ধ অভিজ্ঞতার উপর, আর বাকি ৮০% ভাগই নির্ভর করে আমাদের কমিউনিকেশনের দক্ষতার উপর। - ড. মশিউর রহমান

১৮ মে ২০১৫

বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে কেন? ৯ মে ২০১৫ তে প্রকাশিত, "দেশে স্কুল শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান বিষয়ে লেখাপড়া আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়"। ভীষণ রকমের শক খেলাম একটি সংখ্যা দেখে। সংখ্যাটি হল ১৪ --> ২ --> ১ । সংখ্যাটি হল অষ্টম, নবম ও এসএসসি এর পুরো বাংলাদেশের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংখ্যা লাখে। একই ব্যাচের পর্যায়ক্রমে , অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণীতে ১৪ লাখ বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ছিল, যারা পরের বছরে এসে তারাই ১২ লাখে কমে যায়। কি কারণে অষ্টম শ্রেণী থেকে নবম শ্রেণীতে এসে এই সংখ্যা এত্ত কমে গেল? সরকার, বিজ্ঞান জনপ্রিত করণ প্লাটফর্ম, অণুসন্ধীৎসু চক্র সহ অনেক প্রতিষ্ঠানই বিজ্ঞানে শিক্ষার্থীদের উদ্ভূদ্ধ করছে। অনলাইনে এখন রিসোর্স আগের থেকে অনেক ভালো, রয়েছে শিক্ষক সাইট, সরকারের অনেকগুলি সাইট, অনেক বিজ্ঞানের টিউটোরিয়াল। খুবই ছোট্ট পরিসরে বিজ্ঞানী.অর্গ রয়েছে। এছাড়া অফলাইন বা প্রিন্ট মিডিয়াতেও বেশ টিউটোরিয়াল দেয়া হয়, যা হয়তো ২০ বছর আগেও এতটা সহজলভ্য ছিলনা। বই সহ কনটেন্ট এর আমি কোন অভাব দেখিনা। যদিও মান উন্নয়নের জন্য অনেক পথ চলতে হবে আমাদের। কিন্তু আমরা কি কারণে ব্যর্থ হচ্ছি? আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম আগ্রহ হারাচ্ছে কেন? চাকুরি নিয়ে সংশয়? সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন? কি মনে হয় আপনার?

তথ্যসূত্র: http://m.bdnews24.com/bn/detail/science/951850

৮ মে ২০১৫

প্রবাসে বাঙ্গালীদের একটি অসুখ হয়, এই অসুখটির নাম হল, "দেশ প্রেম রোগ"। নিজ দেশের জন্য কিছু একটা করার জন্য মনটা কেঁদে উঠে। প্রবাসীরা এই রোগে কখনও পড়েননি, তেমনটি কখনও দেখিনি। যাদের এই রোগটি খুব তীব্রহয় তারা বাক্স পোটলা নিয়ে বাংলাদেশে পাড়ি দেয়, আর যাদের একটু কম হয় তারা দূর থেকেই কিছু একটা করার চেষ্টা করেন। অনন্ত নিদেন পক্ষ হলেও গ্রামে নিজের মায়ের নামে স্কুল দেন, কেউবা বৃত্তীর ব্যবস্থা করেন। কে কেমন ভাবে এই রোগটি সামাল দেয়, তাই প্রবাসে বসে দেখি।

২৮ এপ্রিল ২০১৫

সময়ের কন্ঠস্বর,এমটিনিউজ২৪, এইবিডি, সেইবিডি নামের "সো কলড" অনলাইন নিউজ পেপারগুলো যে খবর প্রচার করে তা সত্যিই লজ্জাজনক!!

৭ জুলাই ২০১১

আপুমনিদের আচরণ দেখে মনে হয় তারাই একমাত্র দেশপ্রমিক, তাদের বাবা/সোয়ামিরা স্বাধীনতার ঘোষনা দিছিল অমনি দেশটা স্বাধীণ হইয়া গেছে। মুক্তিযোদ্ধারা হুদায় জান দিছে, আর আমরা গাধার মত দেশের জন্য খেটে মরি। আমরা হলাম টোকাই জনগণ, গাধা শ্রেণীর অবোধ জনগণ, যেমন বোঝাবে তেমন আমরা বুঝবো। এতটা বোকা আমাদের ভাইবেননা। সবকিছুই আমরা দেখছি, সব কিছুই টুকে রাখছি।

২৮ জুন ২০১১

আমরা হইলাম "টোকাই জনতা", দেশের সম্পদ ও ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন তুলবার কোন অধিকার আমাদের নেই। দেশের ভালো-মন্দ চিন্তা করে রাস্তায় নামবো;সচলায়তন, ফেসবুক, সামু, আমু, খামুতে লিখে রক্ত ঝড়াব আর নীতি নার্ধারকরা, কনসালটেন্টরা কত টাকা নিজের পকেটে ঢুকাবেন তা নিয়ে চিন্তায় বিভোর। দেশের ভালোর কথা ভাববার তাদের সময় কোথায়?

২৪ জুন ২০১১

"অতীত কে নিয়েই আজকের বর্তমান, আর বর্তমানই গড়ে আগামীর ভবিষ্যতকে, আর আমরা বেঁচে থাকি বর্তমানে"। - আমার গিন্নী

২১ জুন ২০১১

সৃষ্টিকর্তা আমাদের তৈরী করে কেন নিজেকে সবসময় আড়ালে রাখেন? তিনি আমাদের সামনে দেখা দিলেই সব কিছু সহজ হয়ে যেত, অবিশ্বাসীরা এই সব ধর্ম নিয়ে কোন্দল করতো না, সাবধান হত মানব সমাজ। কেন এই আড়ালে থাকা? কি মনে হয় আপনার?

১১ মে ২০১১

আমাদের মিডিয়া জগত আরো শক্তিশালি হোক তাই কাম্য করি। কিন্তু যেভাবে কর্পোরেটগুলি আমাদের মিডিয়া জগত গুলিকে দখল করে নিচ্ছে তা দেখে ভয় হয়। এখনকার সাংবিদকরা প্রেসের কাগজের পাশে না কাজ করে, আরাম আয়েশে ফোন, অনলাইন দিয়েই কাজ সেরে দিতে আগ্রহী। আমাদের প্রয়োজন ফজলে লেহানির মত সাংবাদিক। তেমন সাংবাদিক কি এই কর্পোরেট মিডিয়া জগতগুলি তৈরী করতে পারবে?

২১ নভেম্বর ২০১০

Man is born free, but everywhere he is in chain প্রকৃতপক্ষে মানুষ মূলত কোনোভাবেই মুক্ত ও স্বাধীন নয়, তার হাত-পায়ে জড়িয়ে আছে পরাধীনতার সোনালি শেকল।