ওয়াসফিয়া নাজরীন
ওয়াসফিয়া নাজরীন এর সাথে পরিচয় হল ফেব্রুয়ারীর ১৪ তারিখে - সিঙ্গাপুরের এক বাংলা স্কুলের অনুষ্ঠানে। টুকটাক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গল্প করছিলাম। বুঝতে পারলাম প্রচুর বই পড়ে। পরে জেনেছিলাম ক্যাম্পে অনেক সময়ই অপেক্ষায় থাকতে হয়, দিনের পরে দিন। সেই সময়েই বই পড়া ছাড়া উপায় নেই। কিসব গল্প করেছিলাম তার বিস্তারিত মনে নেই, তবে তার একটি কথা মনটাতে খুব গেথে গিয়েছিল। বলেছিল, "মিডিয়াতে প্রায়ই লিখে যে আমরা পাহাড়ে উঠছি, প্রকৃতিকে জয় করছি। আসলে তা একবারেই অন্য কথা। পাহাড়ের সেই চুড়ায় উঠে বার বারই মনে হয়, প্রকৃতি কত্ত বিশাল। সেই প্রকৃতির কাছে সমার্পন করতে হয়। " জিজ্ঞাস করলাম, পাহাড়ের ওই চুড়ায় কি অনুভূতি হয়? উত্তরে বলেছিল, কি যে অনুভুতি হয়, তা সত্যই প্রকাশ করতে পারবোনা। প্রকৃতির কাছে সমার্পন করে , কষ্ট ও সুখের সমন্বয়ে এক অদ্ভুত অনুভূতি হয়। তা যতবারই উঠি ততবারই। এ এক অদ্ভুত অনুভূতি, আর সেই অনুভূতি বার বার পাবার জন্যই পাহাড়ের উপরে উঠবার জন্য ছোটাছুটি করি। " পরে একইরকম কথা শুনেছিলাম এক নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীর কাছে - এরউইন নেহের। নিউরোনে স্মৃতি সংরক্ষণের উপর কাজ করেছিলেন। তিনিও বলছিলেন, সামান্য নিউরোন এই প্রকৃতির কত্ত ছোট্ট একটি অংশ। আর এটির উপর কাজ করে বুঝতে পেরেছি, প্রকৃতি কত্ত বিশাল। সেই প্রকৃতির কাছে সমার্পন না করে উপায় নেই। আমরা কখনই প্রকৃতিকে জয় করতে পারবোনা, খুব বেশী হলে এর কাছে সমার্পন করতে পারবো।" যখন এসব ভাবি, তখন মনে হয়। এই যে আমরা আমাদের অর্জন, যা নিয়ে আমরা কত্ত বড়াই করি- হেন করেছি তেন করেছি.. বাড়ি করেছি.. গাড়ি করেছি... ইত্যাদি.. তা কত্তই না ছোট্ট এই বিশাল প্রকৃতির কাছে, এই বিশাল সময়ের মাঝে, তখন খুব পুরান সেই প্রশ্ন যার উত্তর আমরা সবাই খুজে বেড়াই সারা জীবন ধরে, আমি কেনই বা এলুম এইখানে? তার উত্তর আর পাওয়া হয়না। সবাই সবার মতন একটি উত্তর বানিয়ে নিই, অগ্রজ মানুষদের থেকে কিংবা ধর্মগ্রন্থ থেকে কিন্তু এই বিশাল প্রকৃতির কাছে নতজানু হয়ে পড়া ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার থাকেনা।
ওয়াসফিয়া নাজরীন এর সাথে পরিচয় হল ফেব্রুয়ারীর ১৪ তারিখে - সিঙ্গাপুরের এক বাংলা স্কুলের অনুষ্ঠানে। টুকটাক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গল্প করছিলাম। বুঝতে পারলাম প্রচুর বই পড়ে। পরে জেনেছিলাম ক্যাম্পে অনেক সময়ই অপেক্ষায় থাকতে হয়, দিনের পরে দিন। সেই সময়েই বই পড়া ছাড়া উপায় নেই। কিসব গল্প করেছিলাম তার বিস্তারিত মনে নেই, তবে তার একটি কথা মনটাতে খুব গেথে গিয়েছিল। বলেছিল, "মিডিয়াতে প্রায়ই লিখে যে আমরা পাহাড়ে উঠছি, প্রকৃতিকে জয় করছি। আসলে তা একবারেই অন্য কথা। পাহাড়ের সেই চুড়ায় উঠে বার বারই মনে হয়, প্রকৃতি কত্ত বিশাল। সেই প্রকৃতির কাছে সমার্পন করতে হয়। " জিজ্ঞাস করলাম, পাহাড়ের ওই চুড়ায় কি অনুভূতি হয়? উত্তরে বলেছিল, কি যে অনুভুতি হয়, তা সত্যই প্রকাশ করতে পারবোনা। প্রকৃতির কাছে সমার্পন করে , কষ্ট ও সুখের সমন্বয়ে এক অদ্ভুত অনুভূতি হয়। তা যতবারই উঠি ততবারই। এ এক অদ্ভুত অনুভূতি, আর সেই অনুভূতি বার বার পাবার জন্যই পাহাড়ের উপরে উঠবার জন্য ছোটাছুটি করি। " পরে একইরকম কথা শুনেছিলাম এক নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীর কাছে - এরউইন নেহের। নিউরোনে স্মৃতি সংরক্ষণের উপর কাজ করেছিলেন। তিনিও বলছিলেন, সামান্য নিউরোন এই প্রকৃতির কত্ত ছোট্ট একটি অংশ। আর এটির উপর কাজ করে বুঝতে পেরেছি, প্রকৃতি কত্ত বিশাল। সেই প্রকৃতির কাছে সমার্পন না করে উপায় নেই। আমরা কখনই প্রকৃতিকে জয় করতে পারবোনা, খুব বেশী হলে এর কাছে সমার্পন করতে পারবো।" যখন এসব ভাবি, তখন মনে হয়। এই যে আমরা আমাদের অর্জন, যা নিয়ে আমরা কত্ত বড়াই করি- হেন করেছি তেন করেছি.. বাড়ি করেছি.. গাড়ি করেছি... ইত্যাদি.. তা কত্তই না ছোট্ট এই বিশাল প্রকৃতির কাছে, এই বিশাল সময়ের মাঝে, তখন খুব পুরান সেই প্রশ্ন যার উত্তর আমরা সবাই খুজে বেড়াই সারা জীবন ধরে, আমি কেনই বা এলুম এইখানে? তার উত্তর আর পাওয়া হয়না। সবাই সবার মতন একটি উত্তর বানিয়ে নিই, অগ্রজ মানুষদের থেকে কিংবা ধর্মগ্রন্থ থেকে কিন্তু এই বিশাল প্রকৃতির কাছে নতজানু হয়ে পড়া ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার থাকেনা।
২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬