ক্যাডেট কলেজ থেকে বিশ্বে (১৭ জানুয়ারি ২০১২)
তারিখ: ১৭ জানুয়ারি ২০১২
[ভূমিকা: এই প্রবন্ধটি আমার ক্যাডেট কলেজের ভাইদের জন্য লেখা হলেও এটি কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য লেখা। কিভাবে কলেজের সীমানা পেরিয়ে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে হবে তার কিছু অভিজ্ঞতা এইখানে আমি লিপিবদ্ধ করেছি]
আমার কলেজ অভিজ্ঞতা: আমি যখন রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে এইচএইসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি তখন ১৯৯৩ সন। কলেজের বাঁধাধরা জীবনে ছয় বছরে কিছুটা ক্লান্তি চলে এসেছিল। কিভাবে পরীক্ষার জন্য প্রিপারেশন নিব, ভবিষ্যতে কি করব তা নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ছিলাম। কলেজের পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে পাস আউট করতে হবে, তারপরে কলেজের সীমানা থেকে বেরিয়ে পড়তে হবে বাহিরে। সাত সকালে উঠব, কোন বাঁধাধরা নিয়ম থাকবে না – আহ.. কবে যে তেমন দিন আসবে। সেই দিনের জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম।
কলেজের পরীক্ষাই বুঝি শেষ পরীক্ষা: ৬ বছরে যেহেতু ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে যেতে হবে,তাই সব সময়ই মনে হত এটিই মনে হয় আমাদের শেষ পরীক্ষা। এটিতে ভালো করতে পারলেই হবে, সামনে সুন্দর দিন অপেক্ষা করছে যদি এই পরীক্ষাটি ভাল করতে পারি। পরে সেই ভুলটি ভেঙ্গেছিল। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে বুঝতে পেরেছিলাম যে আসলে এইচএইসি পরীক্ষা শেষ পরীক্ষা নয়, সেটি মাত্র শুরু! আসল যুদ্ধ তার পরেই শুরু। তাই কলেজ থেকে বেরিয়ে দেখলাম আমার সতীর্থরা অনেকেই রিলাক্স করা শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু আমার সেখানে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হল। প্রথমেই বুয়েটের পরীক্ষার জন্য প্রিপারেশন নিলাম, তারপরে আর্কিটেট, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। এইভাবে একটির পরে একটি পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছিলাম। এর মধ্যে যখন এইচএসসি এর ফলাফল দিল, তখন সেই ফলাফলের গুরুত্ব আমার কাছে তখন বেশী ছিলনা। কিভাবে ভালো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যায় তা নিয়েই বেশি ব্যস্ত ছিলাম। পরবর্তীতে বুঝেছি যে আমার সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল। এইচএসসি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা তবে তা জীবনের যাত্রা শুরুর প্রথম পদক্ষেপ মাত্র। এর পরেই জীবন তার গতি পরিবর্তন করে। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কি বিষয় নিয়ে পড়ছি তাই জীবনের পথ হয়ে যায়।
এই সময় প্রচুর ক্যাডেট কলেজের সিনিয়র ভাইদের সাথে ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলি। কি নিলে ভালো হয়, কিভাবে কোথায় যোগাযোগ করতে হবে তার খোঁজ খবর নেয়া শুরু করি। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পাশাপাশি বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির খোঁজ নিতে শুরু করি। আমার সতীর্থরা যারা অর্থনৈতিকভাবে একটু সচ্ছল ছিল তারা টোফেলের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আমার পরিবার আমাকে ততটুকু সাপোর্ট দিতে পারবেনা তাই স্কলারশিপ গুলির খোঁজ নিচ্ছিলাম। আমাদের সময় জাপান, অষ্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত ও তুরস্কে বৃত্তি চালু ছিল এবং এই স্কলারশিপ গুলি নিয়ে আমাদের ক্যাডেট কলেজের অনেক সিনিয়র ভাইয়া বাহিরে পড়াশুনার জন্য গিয়েছিল বলে তাদের সাথে যোগাযোগ করা শুরু করি। কিভাবে স্কলারশিপগুলিতে আবেদন পত্র জমা দিতে হবে, পরীক্ষার জন্য কিভাবে প্রস্তুত হতে হতে তা নিয়ে খোঁজ খবর করা শুরু করি। পরিবর্তিতে আমার এই হোম ওয়ার্কগুলি মারাত্মকভাবে আমাকে সাহায্য করেছিল। বুয়েট ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে আমার যোগাযোগ শুরু হল ঢাকায় বিদেশের দূতাবাসগুলিতে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত যেতাম।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্কলারশিপগুলি খবর প্রথম আসতো তাই সেই নোটিস বোর্ডগুলিতে খোজখবর রাখতাম। এমনি সময়ে চীন, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ায় স্কলারশিপের জন্য চেষ্টা আবেদনপত্র জমা দিলাম। এর মধ্যে ভারতের আইআইটি থেকে নিমন্ত্রণ পেলাম। পাশাপাশি জাপানের মনবুশো স্কলারশিপের জন্য পরীক্ষায় বসলাম। হটাত করে একদিন জানতে পারলাম আমি মনবুশো স্কলারশিপটি পেয়েছি। তারপরে জাপানে পাড়ি দিলাম। প্রথমে ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডিপ্লোমা এর জন্য স্কলারশিপ পেলেও পরবর্তিতে জাপানে যেয়ে আরও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাই। জাপানেই পিএইচডি পর্যন্ত স্কলারশিপে পড়ার সুযোগ পাই। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে বিনা খরচেই আমি উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছিলাম।
তবে একথা অনস্বীকার্য যে আমার সিনিয়র ভাইদের থেকে প্রচুর তথ্য পেয়েছি, এবং সেই সহযোগিতাই আমাকে উচ্চশিক্ষার পথে সফল করেছে। আজকের যুগের মত তখন তথ্যপ্রযুক্তি ছিলনা। খুব কষ্ট করে অনেক পরিশ্রম ও সময় ব্যয় করে একটি তথ্য পেতে হত। তবে তথ্য পাবার জন্য যে চেষ্টা তা সব সময়ই সবাইকেই করতে হয়। তথ্য কখনও আমাদের দুয়ারে এসে কড়া নাড়ে না, তাকে খুঁজে নিতে হয় নিজের প্রয়োজনেই এবং সেই তথ্যকে ঠিক মত কাজে লাগাতে পারলে আর পিছপা হবার সুযোগ কম। আর বাকিটা নিজের ঐকান্তিক চেষ্টা ও আল্লাহর মেহেরবানি অর্জন।
এবার দেখা যাক কিভাবে ক্যাডেট কলেজ থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে?
-
নিজের জীবনের লক্ষ্য ঠিক কর। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হল ভবিষ্যতে আমরা কি করতে চাই। আজ থেকে ৩০ কিংবা ৫০ বছর পরে আমরা নিজেকে কোন জায়গায় নিজেকে দেখতে চাই। সেই লক্ষ্যটি ঠিক করা খুব প্রয়োজন। যে ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় তার সাথে যে ডাক্তার হতে চায় তার কর্মপন্থা অবশ্যই পার্থক্য হবে। তাই প্রথমেই জীবনের লক্ষ্যটি ঠিক করে নেয়া খুব প্রয়োজন।
-
আগে থেকেই হোমওয়ার্ক শুরু করতে হবে। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাও কিংবা যে দেশে পড়া শুনা করতে চাও, সেই সম্বন্ধে অনেক আগে থেকেই হোমওয়ার্ক শুরু করা ভালো। অনেক সময় পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সময়ের প্রয়োজন। এছাড়া প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে সময়ের প্রয়োজন। আগে থেকেই এই ব্যাপারগুলিও খোঁজ-খবর নিয়ে রাখলে ভবিষ্যতে কাজ করতে সুবিধা হবে।
-
প্লান কর: যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় গুলির পরীক্ষা বছরের একটি সময়ে হয় সে জন্য একটি ডাইরিতে গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলি নোট করে রাখতে হবে। বিদেশে স্কলারশিপের পরীক্ষার সময়গুলি জেনে নেয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।
-
দূতাবাস কোন ভয়ের জায়গা নয়। অনেকেই বিদেশের দূতাবাসগুলিতে যেতে খুব ভয় পায়। এই ভয় যত দ্রুত কাটান যায় ততই ভালো। বিদেশের সরকারগুলি আমাদের দেশে দূতাবাস গুলি রেখেছে তাদের দেশের তথ্যগুলি বাংলাদেশের লোকজন যেন সহজে পাই তার জন্য। সুতরাং সেই সুবিধাগুলি গ্রহণ করা উচিত। অনেক সময়ই সংবাদপত্র গুলিতে বৃত্তির খবরগুলি আসার আগে দূতাবাসের নোটিস বোর্ডে আসে। তাই দূতাবাসগুলিতে নিয়মিত খোঁজখবর নেয়া উচিত।
-
প্রশ্ন করতে ভয় পেওনা: যখনই কোন প্রশ্ন আসবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ইমেইল দিবে। অনেককে দেখেছি ইমেইল লিখতে দ্বিধা করে এবং ভয় পায়। অনেকের ধারণা ভুল প্রশ্ন করলে তার ভর্তির ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। এমন অমূলক ভয় থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। কিছুদিন আগে আমার এক আত্মীয় আমাকে ফোন করে একটি তথ্য জানতে চাইলো, আমি সেই প্রতিষ্ঠানের ইমেইল ঠিকানা দিলাম। কিন্তু সে সেখানে ইমেইল না দিয়ে বারবার আমাকে অনূর্ধ্ব করতে লাগলো যেন তাকে সেই তথ্যটি দিই। অনেক চেষ্টা করেও তাকে দিয়ে ইমেইল লিখাতে পারিনি। অনেকের ক্ষেত্রেই আমি এইরকম মনোভাব দেখেছি। এই রকম “লাজুক” মনোবৃত্তি থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।
-
নিজ হাতে ভাত খেতে হবে। আজকের বর্তমান বিশ্ব অনেক বেশী কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন নিজেকেই নিজের আখের গুছিয়ে নিতে হয়। এই কথা বলতে আমি বুঝচ্ছি, নিজেকেই নিজের ভবিষ্যত গড়তে হবে। বড় ভাইয়া হয়তো কিছু গাইডলাইন দিতে পারে, কিন্তু নিজেকেই পদক্ষেপ নিতে হবে।
কিছু প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট: যেহেতু বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে ঘরে বসেই অনেক তথ্য পাওয়া সম্ভব হয়। তাই অনলাইনেই নিম্নের সাইটগুলি থেকে তোমরা তথ্য সংগ্রহ করতে পার।
-
ইউরোপ : বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ইউরোপে পড়তে যাওয়ার প্রধান কারণ বেশির ভাগ দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি নেই। স্কলারশিপে পড়ার সুযোগও আছে অনেক ইউরোপীয় দেশে। পড়াশোনার পাশাপাশি আছে খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ। এ ছাড়া ইউরোপের বেশির ভাগ দেশেরই শিক্ষাব্যবস্থা ও পাঠদান পদ্ধতি আন্তর্জাতিক মানের, যা সারা বিশ্বেই গ্রহণযোগ্য। ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের পরই বিদেশি শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় আছে জার্মানি, সুইডেন, ফ্রান্স, রাশিয়া, তুরস্ক, স্পেন, গ্রিস, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, পোল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড। ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দেশ ও বিষয়ভেদে ব্যাচেলর স্তরে পড়াশোনা করতে হয় তিন থেকে চার বছর। চাহিদা আছে এমন সব বিষয়েই পড়তে পারবে ইউরোপে।
-
ভর্তি কবে, কখন, কিভাবে: বছরে দুই থেকে তিনবার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পান। সেশন শুরু হওয়ার অন্তত দুই থেকে তিন মাস আগে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। আবেদন ফরম সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফিসহ আবেদন করতে হয়। আবেদন করার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যোগ্য শিক্ষার্থীদের ঠিকানায় ‘অফার লেটার’ পাঠায়। এর পরই শুরু হয় ভিসা প্রক্রিয়া। আইইএলটিএসে অন্তত ৫.৫ থেকে ৬.০ থাকতে হয়। টোফেল-আইবিটি স্কোর থাকতে হয় ৬১ থেকে ১০০।
- বিশ্ববিদ্যালয় ও বৃত্তির খোঁজ অনলাইনে: সংশ্লিষ্ট দেশের শিক্ষাবিষয়ক সরকারি ওয়েবসাইট কিংবা কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটেই ভর্তি প্রক্রিয়া ও ফিসহ দরকারি সব তথ্য পাবে। যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে চাচ্ছেন, তা সে দেশে কোন পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান কিংবা র্যাংকিং কত, তা জেনে নিতে ভুলবেন না। অনলাইনে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জেনে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করা উচিত। অনেক বাংলাদেশি ইউরোপীয় দেশগুলোতে স্কলারশিপের সুযোগ পেয়ে পড়াশোনা করছেন। অনলাইনে বেশ কিছু সাইটে ইউরোপীয় দেশের বৃত্তির তথ্য পাবে। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (www.moedu.gov.bd) নিয়মিত বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তির নোটিশ প্রকাশ করা হয়।
-
আমেরিকা: আমেরিকার বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় আগস্ট-সেপ্টেম্বরে। যদিও কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান জানুয়ারি ও মার্চ সেশনেও বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে। মনে রাখবে, আমেরিকায় ভর্তির ক্ষেত্রে এ তিনটি যোগ্যতা থাকতেই হবে_ভালো একাডেমিক ফল, আর্থিক সচ্ছলতা এবং ইংরেজিতে দক্ষতা।
-
টোফেল লাগবেই: আমেরিকায় ভর্তির ক্ষেত্রে ভাষা দক্ষতার সনদ হিসেবে অবশ্যই ভালো টোফেল স্কোর থাকতে হবে। পাশাপাশি কোর্সভেদে স্যাট, জিমেট, জিআরই পরীক্ষাও দিতে হতে পারে। আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণত দরকার পড়বে পরীক্ষার সনদ ও নম্বর পত্রের সত্যায়িত কপি, টেস্ট স্কোর (টোফেল, স্যাট ইত্যাদি), সুপারিশ পত্র, আবেদন ফি, আর্থিক সচ্ছলতার কাগজপত্র।
-
আবেদনপত্র পাঠানোর পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভর্তির যোগ্যতা বিবেচনা করে ফিরতি চিঠিতে শিক্ষার্থীর আবেদন ‘গ্রহণ’ কিংবা ‘প্রত্যাখ্যানের’ খবর জানিয়ে দেয়। শিক্ষার্থীকে যোগ্য মনোনীত করা হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘অ্যাঙ্পেটেন্স লেটার’ এবং ‘আই ২০’ ফরম পাঠিয়ে থাকে। এর পরই শিক্ষার্থীকে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অনুমোদিত ভিসা সেন্টারের মাধ্যমে। ঠিকানা : সাইমন ওভারসিজ, বাড়ি-৪এ, রোড-২২, গুলশান-১, ঢাকা।
-
ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানা যাবে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ওয়েবে (http://dhaka.usembassy.gov/student-visas.html)।
-
ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস পরিচালিত আমেরিকান সেন্টারের ‘এডুকেশন অ্যাডভাইজিং সেন্টার’ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আমেরিকায় পড়াশোনার তথ্য ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকে। এ সেবা পাবে রবি থেকে বৃহস্পতিবার। তারা শিক্ষার্থীদের দলীয়ভাবে পরামর্শেরও (গ্রুপ অ্যাডভাইজিং) সুযোগ করে দেয়। পরামর্শ সেবা পেতে যোগাযোগ করতে পারেন এ ঠিকানায়_প্লট-১, ব্লক-জে, প্রগতি সরণি, বারিধারা, ঢাকা।
-
যুক্তরাজ্যে ভর্তি ও আবেদনের তথ্য বাংলায়: যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির তথ্য ও দরকারি নির্দেশিকা এখন থেকে বাংলাতেই পাওয়া যায়। ভর্তি তথ্য, আবেদন, বৃত্তি, বিষয়ভিত্তিক ভর্তি যোগ্যতা, খরচ কেমন হবে- সব তথ্যই পাওয়া বাংলায়। বাংলাভাষী শিক্ষার্থীদের জন্য এসব তথ্য ও নির্দেশিকা নিম্বের ঠিকানায় সরবরাহ করছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। http://www.britishcouncil.org/bangladesh-education-study-in-uk-education-information-sheets-bangla.htm
-
-
জাপান: বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর অনেকেই উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান জাপানে। যাদের বড় একটি অংশ যাচ্ছে স্কলারশিপ নিয়ে। জাপান সরকার, বেসরকারি সংস্থা ছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়মিত স্কলারশিপ দিচ্ছে। এসব স্কলারশিপের আওতায় একদিকে বিনা খরচেই পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে লুফে নিচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রি। দেশটির বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার ভাষা জাপানি হলেও কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীরা ইংরেজি মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে। আগ্রহী বিদেশি শিক্ষার্থীদের জাপানে পড়াশোনার আগে জাপানি ভাষা শিখে নিতে পরামর্শ দেওয়া হয় দেশটির উচ্চশিক্ষা-বিষয়ক বিভিন্ন সাইটে। জাপান দূতাবাসের ওয়েবসাইটেও (www.bd.emb-japan.go.jp/en/education/index.html) পাবে উচ্চশিক্ষা-স্কলারশিপসহ দরকারি সব তথ্য।
-
জাপানি ভাষা-মাধ্যমে খরচ কম: জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় জাপানি ভাষার মাধ্যমে পড়াশোনার খরচ তুলনামূলক কম। ব্যাচেলর পর্যায়ে পড়াশোনা করতে চাইলে নিবন্ধন ফি ও টিউশন ফি বাবদ চার থেকে ছয় লাখ টাকা খরচ হবে বছরে। গ্র্যাজুয়েট কোর্সের জন্য এ ফি দুই লাখ টাকারও বেশি। এ ছাড়া থাকা-খাওয়া ও আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ দেশটিতে প্রতি মাসে গুনতে হবে ৬ থেকে ১২ হাজার টাকা। বাড়তি আয়ের সুযোগ হিসেবে আছে খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ। বিদেশি শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারে। তবে এর জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়।
- ভর্তি নিশ্চিত হলেই ভিসা আবেদন: জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। কারণ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি আবেদনই কেবল গ্রহণ করে। তবে দেশটির ক্ষেত্রে ভর্তি নিশ্চিত হলেই ভিসা প্রক্রিয়ায় আর জটিলতা থাকে না। ভর্তি আবেদন করতে হয় সেশন শুরুর কয়েক মাস আগে। তবে ভর্তির আগে পড়াশোনার মাধ্যম (ভাষা) এবং খরচের ব্যাপারটা মাথায় রাখবে। জাপানে স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনার অনেক সুযোগ আছে। অনেক প্রতিষ্ঠান নিয়মিত স্কলারশিপ দিচ্ছে। এ বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে পার। ভর্তি আবেদনের পর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরবরাহ করা ‘অফার লেটার’ হাতে পেলেই শুরু করতে হবে ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া। তাই প্রয়োজনীয় সব কাগজ আগেই প্রস্তুত রাখুন। ভিসা-সংক্রান্ত তথ্য ও আবেদনের জন্য যোগাযোগ করতে হবে জাপান দূতাবাসে।
-
ঠিকানা : জাপান দূতাবাস, দূতাবাস সড়ক, বারিধারা, ঢাকা।
-
প্রথম সারির কিছু জাপানি বিশ্ববিদ্যালয়
-
এশিয়া ইউনিভার্সিটি www.asia-u.ac.jp
-
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব জাপান www.iuj.ac.jp
-
বিশ্ববিদ্যালয় গুলোয় ইউনিভার্সিটি www.u-fukui.ac.jp
-
হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোয় ইউনিভার্সিটি www.shudo-u.ac.jp
-
চিবা ইউনিভার্সিটি www chiba-u.ac.jp
-
আইচি ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি www.aitech.ac.jp
-
তয়োহাসি ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলোজি www.tut.ac.jp
-
জাপানে পড়াশোনার তথ্য পাবে http://www.bd.emb-japan.go.jp/en/education/index.html লিংকে।
-
সিঙ্গাপুর: ভিসা প্রক্রিয়া তুলনামূলক সহজ হওয়ায় প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী পাড়ি জমায় সিঙ্গাপুরে। দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজি, পড়াশোনার মাধ্যমও ইংরেজি। যদিও চীনা, মালয় আর তামিল ভাষায় পাঠদান চলে সিঙ্গাপুরের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। ব্যাচেলর-পর্যায়ে প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে আইইএলটিএসে ভালো স্কোর লাগে, তবে আইইএলটিএস ছাড়াও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরে পৌঁছার পর ইংরেজি ভাষার ওপর ফাউন্ডেশন কোর্স করতে হয়। শিক্ষাব্যবস্থা, বৃত্তি ও অন্যান্য দরকারি তথ্য জানতে পারবেন সিঙ্গাপুরের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই ওয়েবসাইটে www.moe.gov.sg। সিঙ্গাপুর সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর শিক্ষা বৃত্তি দিয়ে থাকে। বৃত্তির জন্য বিস্তারিত দেখ:
-
www.scholarshipnet.info/undergraduate/singapore-scholarship-for-undergraduate
-
সিঙ্গাপুরের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.moe.gov.sg
-
প্রথম সারির কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব ঠিকানা:
-
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর (www.nus.edu.sg)
-
নানাইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (www.ntu.edu.sg)
-
সিঙ্গাপুর ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি (www.smu.edu.sg)
-
সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (www.sim.edu.sg)
-
সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজাইন (www.su.edu.sg)।
-
পোল্যান্ড: দেশটির পড়াশোনার খরচ তুলনামূলক কম। পোলিশ ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায়ও পড়াশোনার সুযোগ আছে। তবে পোলিশ ভাষা জানা থাকলে অনেক সুবিধা হয়। দেশটির প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়েই ‘স্কুল অব পোলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচার’ নামের বিভাগ আছে, যেখানে বিদেশি শিক্ষার্থীরা পোলিশ ভাষা শেখার সুযোগ পায়। ঢাকায় পোল্যান্ডের কনস্যুলেট থাকলেও কোনও দূতাবাস নেই। ভিসার আবেদন করতে হয় ভারতের দিলি্লর দূতাবাসে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফিসহ প্রার্থীকেই ভিসা আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। দেশটিতে পড়াশোনা করতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সাধারণত বছরে দুই হাজার ইউরো খরচ হয়। এ ছাড়া থাকা-খাওয়ার খরচ তো আছেই। পোল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান বিদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে থাকে। বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা সাধারণত ২০০ থেকে ৩০০ ইউরো বৃত্তি পেয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বৃত্তি দিয়ে থাকে এখানকার ‘পোলিনস্কি স্কলারশিপ ফান্ড’। উল্লেখ্য, প্রতি ইউরো প্রায় ৯২ টাকার সমান।
-
ই-মেইল : polishconsulate@newdelhi.polemb.net
-
ওয়েব : www.newdelhi.polemb.net
-
যেসব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পার
-
নিকোলাস কোপারনিকাস ইউনিভার্সিটি (www.cc.uni.torun.pl)
-
ওয়ারশ ইউনিভার্সিটি (www.uw.edu.pl)
-
মারিয়া কুরি-স্কোডোস্কা ইউনিভার্সিটি (www.umcs.lublin.pl)
-
ক্লাকাউ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (www.pk.edu.pl)
-
কলেজ অব সায়েন্স (http://snsinfo.ifpan.edu.pl)
-
লড্জ টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি (http://zsku.p.lodz.pl)
-
জাগিলোনিয়ান ইউনিভার্সিটি (www.ii.uj.edu.pl)
-
পোল্যান্ডে পড়াশোনার বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে এই সাইট থেকে_ www.studyinpoland.pl
-
**তুরস্ক: **উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে প্রতিবছর ইউরোপ-এশিয়ার বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী পাড়ি জমাচ্ছে ইউরোপের অন্যতম মুসলিম দেশ তুরস্কে। তুলনামূলক কম টিউশন ফি হলেও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাদান করছে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। চাহিদা সম্পন্ন সব বিষয়েই পড়ার সুযোগ আছে তুরস্কে। কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে ভর্তি আবেদন ও আনুষঙ্গিক তথ্য জেনে নিন ভালো করে। অনলাইন থেকে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এক্সামিনেশন’ ফরম সংগ্রহ করতে হবে। তারপর নির্দেশিত নিয়মে আবেদন পাঠাতে হবে। তুরস্কের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার মাধ্যম ইংরেজি। আইইএলটিএসে অন্তত ৫ দশমিক ৫০ আছে এমন শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তুরস্কে পড়াশোনা করতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অন্যান্য দেশের মতো টাকা খরচ করতে হয় না। আন্ডার গ্র্যাজুয়েট অর্থাৎ ব্যাচেলর স্তরে ইংরেজি মাধ্যমে পড়তে চাইলে বিষয়ভেদে বছরে খরচ পড়বে ৪৫০ থেকে এক হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। তবে তুর্কি ভাষায় পড়াশোনা করলে ব্যাচেলর স্তরে খরচ পড়বে ২৪০ থেকে ৭৫০ মার্কিন ডলার। মাস্টার্সে ইংরেজি মাধ্যমে পড়তে চাইলে প্রতিবছর গুনতে হবে ৬০০ থেকে ৯০০ ডলার। অন্যদিকে তুর্কি ভাষায় পড়ার জন্য দিতে হয় ৩০০ থেকে ৬০০ ডলার। টিউশন ফি কম হলেও থাকা-খাওয়ার খরচটা একটু বেশিই। প্রতি মাসে থাকা-খাওয়াসহ আনুষঙ্গিক প্রয়োজনে খরচ পড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ মার্কিন ডলার। সাধারণত এ দেশের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ দেয় না। তবে কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত সময়ের জন্য কাজের অনুমতি মেলে। তুরস্ক সরকারের ‘মিনিস্ট্রি অব এডুকেশন’ প্রতিবছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে থাকে। বৃত্তি ঘোষণা দেওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (www.moedu.gov.bd) বৃত্তিসংক্রান্ত্র নোটিশ প্রকাশ করা হয়। সে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার পাশাপাশি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের তুরস্কে উচ্চশিক্ষার জন্য বৃত্তি দিয়ে থাকে। আইডিবির সাইটে (www.isdb.org) বৃত্তির বিস্তারিত জানা যাবে। বৃত্তি সম্পর্কে আরো জানতে ভিজিট কর এই লিংকে www.studyturkey.metu.edu.tr/scholarship.htm।
-
ভর্তি হতে পার যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে
-
আতাতুর্ক ইউনিভার্সিটি (www.atauni.edu.tr)
-
আঙ্কারা ইউনিভার্সিটি (www.ankara.edu.tr)
-
বেলকেন্ট ইউনিভার্সিটি (www.bilkent.edu.tr)
-
আনাদলু ইউনিভার্সিটি (www.anadolu.edu.tr)
-
ইস্তাম্বুল ইউনিভার্সিটি (www.istanbul.edu.tr)
-
ইস্তাম্বুল টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি (www.itu.edu.tr)
-
ইজমির ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (www.iyte.edu.tr)
-
বিস্তারিত জানতে ভিজিট কর এই সাইটটিতে www.studyturkey.metu.edu.tr
-
চীনে উচ্চশিক্ষার তথ্য পেতে সহায়ক হবে এই সাইট দুটি
-
হংকংয়ে পড়াশোনার তথ্য পাবে ‘স্টাডি ইন হংকং’-এর ইংরেজি ভাষায় পরিচালিত এই ওয়েব পোর্টালে_http://studyinhongkong.edu.hk/eng/। আরো কিছু দরকারি সাইটের ঠিকানাও পাবে সাইটটিতে।
-
মালয়েশিয়ায় পড়াশুনার বিস্তারিত তথ্য পাবে নিম্নের সাইটটিতে:
-
www.studymalaysia.com সাইটটি।
-
দেশটির ইমিগ্রেশন (www.imi.gov.my)
-
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের (www.moe.gov.my) সাইটেও আছে স্টুডেন্ট ভিসা ও পড়াশোনার দরকারি তথ্য
-
থাইল্যান্ড: studyinthailand.org এই সাইটে পাবে থাইল্যান্ডে ভর্তি, ভিসাসহ শিক্ষাবিষয়ক অনেক তথ্য।
-
ভারতে পড়তে যেতে চাইলে ভিজিট করতে পার দেশটির সরকারি ওয়েব পোর্টাল www.india.gov.in/overseas/study_india/studyinindia.php
উল্লেখ্য উপরের তথ্যগুলি বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও পত্রিকা থেকে সংকলন করা হয়েছে।
অনেকের ধারণা যে বিদেশে পড়াশুনার জন্য যারা যাচ্ছে তাদের একটি বড় অংশই বিদেশে থেকে যাচ্ছে এবং অনেকে একে ব্রেন ড্রেন বলে। আমি এই ধারনার একজন ঘোর বিরোধী। সময়ের প্রয়োজনে অনেকে ফিরে আসছেন বটে, তবে একদমই কেউ যে ফিরে আসছেন তা নয়। অনেকেই বাংলাদেশে ফিরে আসছে এবং অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও কাজ করছে। যারা আসছেন তারাও বিভিন্ন ভাবে দেশের জন্য কাজ করছে। এখন বিশ্বকে সমতল বলা হয়। অর্থটি আক্ষরিক ভাবে নয়, অর্থ হল যে কেউ এখন যে কোন জায়গা থেকেই কাজ করতে পারে। আসল কথা হল আমরা আমাদের জীবনটিকে নিয়ে কি করতে চাই, কিভাবে একে সাজাতে চাই। আমরা আমাদের জীবনের স্থপতি, আর তাই আমাদেরকেই ঠিক করে নিতে হয় এর পথটিকে। আশা করি আমাদের ছোটভাইরা অদূর ভবিষ্যতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। সবার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। যে কোন প্রয়োজনে সাহায্য করতে আগ্রহী এবং যোগাযোগ করতে দ্বিধা করনা।