ভিয়েতনাম ভ্রমণ
আমরা মন থেকে কোন কিছু প্রচন্ডভাবে চাইলে, সেটি মনে হয় বিধাতা বা প্রকৃতি সেই মনস্কামণা পূর্ণ করে দেয়। ভিয়েতনামে যাত্রার আগে ভাবছিলাম ইস ভালো কিছু আকাশের ছবি তুলতে পারলে বেশ হত। অফিসের কাজ যাব, তাই ক্যামেরাটা সাথে নেব না বলেই ভেবেছিলাম। ব্যাগ গোছাতে যেয়ে মন-কে আর বোঝাতে পারলামনা। ক্যামেরাটা সাথে নিয়েই নিলাম। গিন্নী দেখি একবার বাঁকা চোখে তাকাল। ঠিক কি কারণে ভিয়েতনাম যাচ্ছি তা তিনি বুঝে গেলেন। তুমি যা ইচ্ছে বোঝ, আমি ছবি তুলবোই। আমার সাথে জাপানিজ সহকর্মি। তাকে বললাম, তুমি যা ইচ্ছে চাও, কিন্তু জানালার পাশে আমার বসা চাই। আসার সময়ে না হয় তুমি বস। সিটে বসেই বিশাল ক্যামেরাটা বের করতে সে বুঝতে পারল কেন জানালার পাশে বসবার জন্য গো ধরেছিলাম। খুব ইচ্ছে ছিল, নিচে মেঘ থাকবে, মাঘের পাশ দিয়ে নিচের মাঠ দেখা যাবে। উপরে আরো স্তরের মেঘ থাকবে। তেমনই তিনটি স্তরের ছবি তুলব। জানালাটা অপরিচ্ছন দেখে বিমানবালাকে বকা দিলাম। যেন জানালার কাচ বদলান তারই দায়িত্ব। মনটা খারাপ করেই ছবি তুলা শুরু করলাম। পরে দেখলাম নেহাতই খারাপ হয়নি। ভিয়েতনামে বিমান অবতরণ করার পরে, বিমানবালার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলাম। মুচকি হেসে বলল, পরের বার এস, তোমার জন্য সুন্দর কাচের জানালার ব্যবস্থা করে রাখব। সেই নীল আকাশের একটি ছবি শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে। আমার জানা মতে (আমার ভুল হতে পারে, আমি মেঘ বিশেষজ্ঞ নই) নিচে যে তুলোর মতন মেঘগুলি দেখতে পারছেন তা Altocumulus মেঘ নামে পরিচিত। আর নিচে দেখতে পারছেন মালেয়শিয়ার কিছু গ্রামের জমি-ক্ষেত। আর উপরে যে তুলির মতন ছড়িয়ে রয়েছে তা cirrus মেঘ নামে পরিচিত। (মেঘের নামগুলি ভুল হলে আমাকে সংশোধন করে দিবেন) । ছবিটির উপর কোন দুষ্টমি বা এডিট করা হয়নি। Took this pictures from airplane. On the way to Vietnam trip.
আমরা মন থেকে কোন কিছু প্রচন্ডভাবে চাইলে, সেটি মনে হয় বিধাতা বা প্রকৃতি সেই মনস্কামণা পূর্ণ করে দেয়। ভিয়েতনামে যাত্রার আগে ভাবছিলাম ইস ভালো কিছু আকাশের ছবি তুলতে পারলে বেশ হত। অফিসের কাজ যাব, তাই ক্যামেরাটা সাথে নেব না বলেই ভেবেছিলাম। ব্যাগ গোছাতে যেয়ে মন-কে আর বোঝাতে পারলামনা। ক্যামেরাটা সাথে নিয়েই নিলাম। গিন্নী দেখি একবার বাঁকা চোখে তাকাল। ঠিক কি কারণে ভিয়েতনাম যাচ্ছি তা তিনি বুঝে গেলেন। তুমি যা ইচ্ছে বোঝ, আমি ছবি তুলবোই। আমার সাথে জাপানিজ সহকর্মি। তাকে বললাম, তুমি যা ইচ্ছে চাও, কিন্তু জানালার পাশে আমার বসা চাই। আসার সময়ে না হয় তুমি বস। সিটে বসেই বিশাল ক্যামেরাটা বের করতে সে বুঝতে পারল কেন জানালার পাশে বসবার জন্য গো ধরেছিলাম। খুব ইচ্ছে ছিল, নিচে মেঘ থাকবে, মাঘের পাশ দিয়ে নিচের মাঠ দেখা যাবে। উপরে আরো স্তরের মেঘ থাকবে। তেমনই তিনটি স্তরের ছবি তুলব। জানালাটা অপরিচ্ছন দেখে বিমানবালাকে বকা দিলাম। যেন জানালার কাচ বদলান তারই দায়িত্ব। মনটা খারাপ করেই ছবি তুলা শুরু করলাম। পরে দেখলাম নেহাতই খারাপ হয়নি। ভিয়েতনামে বিমান অবতরণ করার পরে, বিমানবালার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলাম। মুচকি হেসে বলল, পরের বার এস, তোমার জন্য সুন্দর কাচের জানালার ব্যবস্থা করে রাখব। সেই নীল আকাশের একটি ছবি শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে। আমার জানা মতে (আমার ভুল হতে পারে, আমি মেঘ বিশেষজ্ঞ নই) নিচে যে তুলোর মতন মেঘগুলি দেখতে পারছেন তা Altocumulus মেঘ নামে পরিচিত। আর নিচে দেখতে পারছেন মালেয়শিয়ার কিছু গ্রামের জমি-ক্ষেত। আর উপরে যে তুলির মতন ছড়িয়ে রয়েছে তা cirrus মেঘ নামে পরিচিত। (মেঘের নামগুলি ভুল হলে আমাকে সংশোধন করে দিবেন) । ছবিটির উপর কোন দুষ্টমি বা এডিট করা হয়নি।