মশিউরের খেরোখাতা

বাজার হইতে বহুত কসরত কইরা লইয়্যা আইলাম “ড্রাগন ফ্রুট” (২০২২)

তারিখ: ১৮ জুলাই ২০২২

বাজার হইতে বহুত কসরত কইরা লইয়্যা আইলাম “ড্রাগন ফ্রুট”। এক্কেবারেই লাল টুকটুস। দোকানদার কইলো জব্বর হইবো ভাইজান, তয় একটু ঠান্ডা কইরা খাইয়েন। বাজার থ্যাকন আইয়াই ফ্রিজের ভিতর ঢুকাইয়া অপেক্ষা করতাছি কখন ঠান্ডা বইবো। অপেক্ষার পালা শেষ হবার নাইক্যা! চ্যানেল ঘুরাইয়া টিভি দ্যাখতে দ্যাখতে কখন ঘুমাইয়া পড়ছি। ধরফর কইরা উইঠ্যাই ফ্রিজের দিকে দিলাম দৌড়। আহ… লাল টুকটুস কি যে মজার হইবো, এইটা ভাইব্যাই মজা লইতাসি। কিন্তু কোত্থায় মুর ড্রাগন- ফ্রিজ দেহি এক্বেবারে ফাকফকা। হেদিক সেদিন অনেক খুইজ্যাই দেহি ড্রাগন ফ্রুট নাইক্কা। "গ্যালো কোথায়?’ - দিলাম চিৎকুর। পোলা দৌড়ায় আইয়াই কইলো - “কি হয়ছে বাপজান?” দোড়াইয়া আইলো বউ। হেই ড্রাগন ফ্রুট খানি কাইট্যা গালে লাগাইত্যাসে। মাগার এক আজুব জামানা আইলো। ফেচবুকে ব্যাবাকরে চুবানি খাওয়াতাসে। লাল টুকটুক বৌ - মাগার দ্যাখতে হ্যাভি লাগতাছিল। হ্যারে দেইখ্যা, আর চিক্কুর দিলাম না। বাঘ হইলেও বৌওয়ের কাছে বিলাই। থাক না হয় সাধের টুসটুস ড্রাগন ফ্রুট। হের বদলে টুকটুক বউটারেই দেইখ্যাই একটু বিনুদুন লইলো পদ্মাপাড়ের এই কবি মশিউর।