মশিউরের খেরোখাতা

জাপানে স্কলারশিপে পড়তে আসা ছোটভাইদের বলছি


যখন এই কম্পিউটারের কিবোর্ডে চাপ দিতে দিতে মনের কথাগুলি লিখছি, তখন বাসার সামনের নদীটিতে মেঘের ঘনঘটার প্রতিচ্ছবি এসে পড়েছে। সেই নদীর দিকে তাকাতেই স্মৃতির পাতা উল্টিয়ে চলে গেলাম অনেক দূরে আজ হতে সাত বছর আগে নারা শহরের তোমিও নদীর ধারে। নারা কোসেনের পাশেই ছিল এই ঝিরঝিরে নদীটি। আমার অবসর ও একাকিত্বের সঙ্গী। দীর্ঘদিন পরে পিছন ফিরে তাকিয়ে, সেই সময়ের অনুভূতি ও পুরনো ডাইরির সমন্বয়েই আজকে আমার এই লেখাটি দাঁড় করিয়েছি। এতটা পথ চলে আসার পরে মনে হল, নিজের জীবন কিংবা অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কি দেওয়ার নেই আমাদের পরবর্তীদের কাছে। সেই মনের অবস্থান থেকেই এই লেখাটির সূচনা। নিজের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে কিছু কথা বলব যা হয়তো কোহাইদের জন্য আমার উপহার। যেভাবে মানুষ তার উত্তরাধিকারকে কিছু দিয়ে যায়।


একাকিত্ব কাটিয়ে উঠার অবলম্বন খুঁজে বের করো

এটা বলার অপেক্ষায় রাখে না যে টোকিওতে এক বছর (আগে ছয় মাস ছিল) সবার সাথে সুন্দর সময় কাটিয়ে হঠাৎ করে কোসেনের মত একটা বিশাল একাকিত্বের জগতে এসে পড়লে একটা বড় ধাক্কা খেতে হয়। আমার এখনও মনে আছে যে আমি যখন নারা কোসেনে পৌঁছেছিলাম তখন একটা বড় শক খেয়েছিলাম। আর আমরা এপ্রিলের শুরুতে যে সময়ে কোসেনে যেয়ে হাজির হই তখন সাধারণত ছুটি থাকে। তাই ধাক্কাটা একটু বেশিই খেতে হয়। তারপরেও কিছুদিন পরে ক্লাস শুরু হলেও দেখা যায় যে জাপানি ভাষায় ততটা দক্ষতা না থাকায় নতুন বন্ধু জোগাড় করে নেওয়াটা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।

সাধারণ দিনগুলিতে ক্লাস ও তার জন্য পড়াশুনা নিয়েই ব্যস্ত দিন কাটাতে হয় কিন্তু সমস্যাটা দাঁড়ায় ছুটির দিনগুলিতে। কেননা কোসেনগুলি সাধারণত এমন এক অজপড়াগাঁয়ে থাকে যে সেখান থেকে মূল শহরে যেতে অনেক দূর পথ অতিক্রম করতে হয়। তাই ছুটির দিনগুলি কাটানো বেশ কঠিন হয়ে উঠে।

একাকিত্ব দূর করার জন্য প্রত্যেকেই তার নিজস্ব কিছু উপায় খুঁজে বের করে নিতে হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে সময় কাটাতাম, স্কেচবুক নিয়ে সাইকেলে খুব দূরে কোন অচেনা জায়গায় চলে যেতাম। যখন কোন সুন্দর দৃশ্য দেখতাম তখন তার স্কেচ আঁকতে বসে যেতাম। আর আমি ছিলাম খুব গানের ভক্ত। গানই ছিল আমার একাকিত্বের সঙ্গী। একটা ওয়াকম্যান নিয়ে প্রিয় ক্যাসেটগুলি ভরে কোন সুন্দর জায়গায় বসে গান শুনতাম। এইভাবেই প্রকৃতির মাঝেই আমি সময় গুলি কাটাতাম। আমার কাছে কোসেনের জীবন তাই তেমন একটা একাকিত্বে কাটেনি।

সাধারণত কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিটি বিদেশি ছাত্র/ছাত্রীর জন্য একজন করে টিউটর নিয়োগ করে। তার সাথে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বন্ধুত্ব গড়ে তোলা উচিত। কারণ তার সাথে সময় কাটাতে পারলে সেই সাথে জাপানি ভাষায় দক্ষ হয়ে উঠা যায়।


জাপানি ভাষার প্রতি জোর দাও

যেহেতু কোসেন ও পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদেরকে জাপানি ভাষাতেই পড়তে হয়, তাই জাপানি ভাষাটা প্রথম থেকেই ভালোমতো রপ্ত করা ফেলা ভালো। প্রথম থেকেই টোকিওতে যে জাপানি ভাষার এক বছরের কোর্সটি হয়, তাতেই জাপানি ভাষার প্রতি পুরোপুরি দখল আসা সম্ভব হয় না। এরপরেও ব্যক্তিগতভাবে প্রচুর পড়াশুনা করা উচিত। কোসেনে এই সময়টা জাপানি ভাষা শেখার জন্য খুবই ভালো। কেননা টোকিওতে থাকতে অনেক সময়ই নেটিভ জাপানিদের সংস্পর্শে আসার তেমন একটা সুযোগ হয় না, কিন্তু কোসেনে চারপাশের সবাই জাপানি বলে ভাষা শিক্ষার জন্য চমৎকার পরিবেশ পাওয়া যায়। টোকিওতে থাকতে গ্রামারটা ভালোমতো শেখা যায় আর কোসেনে ব্যবহারিকভাবে শেখার সুযোগ থাকে। এছাড়া প্রতিবছর ডিসেম্বরে যে জাপানি ভাষার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় তা দেওয়ার লক্ষ্য করা উচিত। পরীক্ষাটি দেওয়ার লক্ষ্য থাকলে গুরুত্বের সাথে পড়াশুনা করা যায়। আর যতটুকু সম্ভব কাঞ্জির চর্চাটা নিয়মিত রাখা উচিত।

যারা রুটিন করে পড়তে অভ্যস্ত, তাদের রুটিনে জাপানি ভাষা শেখার জন্য আলাদাভাবে কিছু সময় রাখা উচিত। প্রতিদিন সম্ভব না হলেও ছুটির দিনগুলিতে একটু সময় রাখা উচিত এই জাপানি ভাষা শেখার জন্য। এই প্রসঙ্গে একটা ঘটনা মনে পড়ে যাচ্ছে, ১৯৯৫ সনে আমি যখন টোকিওতে ভাষা শিখছিলাম, তখন একদিন আমরা সবাই মিলে মাসুদ ভাইয়ের টোকিও কোসেনে বেড়াতে গিয়েছিলাম। মাসুদ ভাই তখন তার হোস্টেল পরিবর্তন করছিলেন। তার রান্নাঘরে আমরা সবাই বসে আছি তখন দেখি মাসুদ ভাই জাপানি পত্রিকা পড়ছেন। যদিও এখন অনেকের কাছে ব্যাপারটা খুবই সাধারণ কিন্তু সেই প্রথম জাপানে এসে ব্যাপারটা দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। সেই কোসেনে থাকতেই মাসুদ ভাই জাপানি ভাষাটা এত সুন্দরভাবে রপ্ত করেছিলেন যে সত্যিই খুব ঈর্ষা হয়েছিল।


ইংরেজি চর্চা অক্ষুণ্ণ রেখো

শুধুমাত্র জাপানি ভাষা নয় পাশাপাশি ইংরেজির চর্চাটিও রাখা উচিত। কেননা যদিও কোসেনে ইংরেজি তেমন একটা প্রয়োজন হয় না কিন্তু পরবর্তীতে ইংরেজি ভাষাটা খুবই প্রয়োজন হয়। সম্ভব হলে কোসেনের থিসিস পেপারটা ইংরেজিতে লেখা উচিত কারণ তা তোমাদের জীবনে একটা গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। যারা ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা রাখেন তারা নিজেরা ব্যক্তিগতভাবে পড়াশুনা রেখে চর্চাটা রাখা উচিত।


ক্লাসে প্রশ্ন করা ঠিক হবে কি?

সংস্কৃতির পার্থক্যের কারণে কিনা জানি না। আমরা বাংলাদেশে সাধারণত ক্লাসের মাঝে শিক্ষকদের অনেক প্রশ্ন করি। কিন্তু জাপানে দেখা যায় যে তারা ক্লাসে কেউই তেমন একটা প্রশ্ন করে না। তবে ক্লাসে কোন অবোধ্য বিষয় থাকলে তা বোঝার জন্য প্রশ্ন করা যেতে পারে কিংবা পরবর্তীতে সেই শিক্ষকের অফিসে যেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে। তবে মনে রাখা উচিত, প্রশ্ন করার আগে একটু দেখা উচিত তা করাটি যুক্তিযুক্ত হচ্ছে কিনা। তা একটু নিজেই চেষ্টা করে বই পড়লে তার উত্তর পাব কিনা। বোকার মত সাধারণ ধরনের প্রশ্ন করলে শিক্ষক হয়তো তোমার সম্পর্কে ভুল ধারণা নিতে পারেন। আর বুদ্ধিমানের মত প্রশ্ন করলে তা বেশ প্রশংসার পাত্র হয়ে ওঠে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার শিক্ষকের প্রথম ক্লাসে আমি একটা চমৎকার প্রশ্ন করেছিলাম, যেটা তিনি প্রায়ই সবাইকে বলেন। পরবর্তীতে তিনিই আমার প্রফেসর হন, এবং আমার জীবনটা সম্পূর্ণভাবে বদলে দেন। প্রথম ক্লাসের সেই একটা প্রশ্নই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। কিন্তু বোকার মত প্রশ্ন করে অন্য রকম ধারণাও হতে পারে। তাই প্রশ্ন করার আগে একটু চিন্তা করো, তা করা সত্যিই ঠিক হচ্ছে কিনা।


পড়াশুনার পদ্ধতি

প্রত্যেকেরই নিজস্ব কিছু নিয়মে পড়াশুনার পদ্ধতি থাকে। তবে এখানে আমার পদ্ধতিটি আমি তুলে ধরলাম। হয়তো তোমাদের সাহায্য করতে পারে। এই পদ্ধতিটি যে কোন বিষয়ের জন্যই প্রযোজ্য।

সাধারণত নতুন বই কিংবা অধ্যায় পেলে তা দ্রুত সেই বই কিংবা অধ্যায়টি দেখো এবং ছবিগুলি দেখো। তারপরে তা বন্ধ করে চিন্তা করো বইটি কিসের উপর। তার ফলে প্রথমেই সেই বইটি সম্পর্কে একটু প্রাথমিক ধারণা হবার সুযোগ থাকে। বলা যায় মস্তিষ্ক প্রস্তুতি নেবে সেই বিষয় কিংবা বইটির উপর।

ক্লাসের আগে প্রস্তুতি নিলে ক্লাসগুলি বুঝতে বেশ সুবিধা হয়। অচেনা কাঞ্জিগুলি আগে থেকে রপ্ত করে নিলে ক্লাসের মধ্যে আর অভিধান খুলে দেখতে হয় না। নতুন যে সমস্ত কাঞ্জিগুলি আসে তা আলাদা একটা নোটখাতায় লিখে রেখে তা প্র্যাকটিস করা উচিত। সেই অধ্যায়ে যে অংশটি বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে তা মনে করে রেখে পরে ক্লাসে তা ঠিকমত বুঝে নেওয়া উচিত। আগের দিক থেকে ক্লাসের প্রস্তুতি নেওয়া সত্যিই খুব ভালো অভ্যাস।

ক্লাসের মধ্যে অনেকে নোট নিতে এত ব্যস্ত হয়ে পড়ে যে ক্লাস ফলো করা সম্ভব হয় না। ক্লাসের মধ্যে মনোযোগ দিয়ে ক্লাস ফলো করা উচিত। খুব সুন্দরভাবে নোট নেওয়া সম্ভব না হলে শুধুমাত্র কি পয়েন্টগুলি লিখে রাখলেই হবে। পরে ভালোমতো নোট করার সময় পাওয়া যেতে পারে কিন্তু একবার শিক্ষকের লেকচার মিস করলে আর তা শোনা সম্ভব নয়।

ক্লাসের পরে, যা পড়ানো হল তা রিভিশন দেওয়া উচিত। ক্লাসের বই ছাড়াও অন্য কোন রেফারেন্স বই পড়লে সেই বিষয়টি সম্পর্কে আরো ভালোমতো জানা সম্ভব হয়।

ক্লাসের নোট খাতায় বিভিন্ন রঙ দিয়ে লেখার পদ্ধতিটা আমি জাপানে এসে প্রথম শিখি। এই পদ্ধতিটি বেশ ভালো লেগেছিল এবং আজও সেই পদ্ধতি ব্যবহার করি। জাপানিরা এক ধরনের ফ্রি শিটে নোট করে এবং একটা খাতা তৈরি করে। সেই ধরনের খাতায় নোট করলে পরে সুন্দরভাবে বাইন্ড করে নিলে বেশ ভালো হয়। জাপানিদের এই সুন্দরভাবে নোট করার পদ্ধতিটি সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।

কোসেনের পরীক্ষার আগে অবশ্যই জাপানি টিউটর কিংবা সেনপাইদের কাছ থেকে পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্রগুলি সংগ্রহ করা উচিত। কোসেনের পরীক্ষার বেশিরভাগ প্রশ্নই পূর্বের প্রশ্নের মত হয়ে থাকে। তবে শুধুমাত্র এটার উপর নির্ভর করা উচিত নয়। অবশ্যই ভালোমতো প্রস্তুতি নেওয়া উচিত তবে আগের প্রশ্নগুলি থেকে ধারণা পাওয়া যায়। জাপানের প্রশ্নের ধরন বাংলাদেশের থেকে অনেক আলাদা। বাংলাদেশের মত আলোচনামূলক কোন প্রশ্ন থাকে না। সাধারণত শর্ট প্রশ্নই বেশি হয়।


হোমস্টে

যে কোন কোসেনের বিদেশি ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য হোমস্টের ব্যবস্থা থাকে। সাধারণত গরমের ছুটিতে কিংবা শীতের ছুটিতে হোমস্টে করার সুযোগ থাকে। সম্ভব হলে এতে অংশগ্রহণ করা উচিত। এর ফলে জাপানিদের পরিবারের ভিতরের অবস্থা সম্পর্কে একটু ধারণা পাওয়ার সুযোগ থাকে। হোমস্টেতে যাওয়ার সময় দেশীয় কোন উপহার নিয়ে যেতে পারো। এবং হোমস্টের পরে ফোন করে কিংবা চিঠি লিখে তোমাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাও। প্রবাসে তাদের এক টুকরো ভালোবাসা হয়তো তোমার হোমসিকনেস কিছুটা হলেও কাটাতে পারে। আর পরিচিত জাপানিদের নতুন বছরে নেনগাজো (নববর্ষ কার্ড) পাঠাতে ভুলো না। জাপানের সংস্কৃতিতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত। জাপানিতে কীভাবে সুন্দরভাবে চিঠি লেখা যায় তা কিছু বই কিংবা ইন্টারনেটে দেখতে পারো।


পত্রমিত্রতালি বানাও

জাপানি ভাষা শেখার জন্য পত্রমিত্র বানাতে পারো। আমি কোসেনে থাকার অবস্থায় মিয়াজিমা নামের এক ভদ্রলোকের সাথে আমার ইমেইলে বন্ধুত্ব হয়েছিল। আমি তাকে নিয়মিত জাপানিতে মেইল দিতাম। তিনি আমার ইমেইলের ভুল গ্রামারগুলি ঠিক করে কারণগুলি উল্লেখ করে মেইল দিতেন। আমার জাপানি শেখার জন্য তার ভূমিকা অনেকখানি। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশে বেড়াতে যান এবং এখনও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। ইন্টারনেটে এই রকমভাবে খুব সহজেই ইমেইল বন্ধু বানানো যেতে পারে।


পরিশেষ

যারা কোসেনে পড়ছো তারা মনে রেখো যে তোমাদের কোসেন অতিক্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে এবং মাস্টার্সে পড়তে হবে। পরবর্তীতে চাকরিতে যোগদান করবে কিনা পিএইচডি করবে তা সময়ই বলবে। সেসব নিয়ে আপাতত চিন্তা না করে এইটুকু শুধু মনে রেখো যে আমাদের ন্যূনতম মাস্টার্স পর্যায়ে পড়তেই হবে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকলে কোর্সগুলি নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত হয়ে যেতে হয় যে তখন আর নিজেকে গড়ে তোলার জন্য সময় পাওয়া যায় না। কোসেনে অনেকখানি সময় পাওয়া যায় নিজেকে নিজের মত করে গড়ে তোলার। তাই এই সময়টিকে খুব ভালোমতো ব্যবহার করা উচিত।

এখানে যে সমস্ত উপদেশগুলি উল্লেখ করলাম তা আমার একান্তই নিজস্ব, অনেকে হয়তোবা তাতে দ্বিমত পোষণ করতে পারেন, তার জন্য আরো আলোচনা প্রয়োজন। আশা করব সবাই তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে কোহাইদের কিছু শিক্ষা দিতে পারেন যা হয়তো তাদের সাহায্য করবে। আমাকে এখন যদি কেউ প্রশ্ন করে কোসেন কি সত্যিই একাকিত্বের? আমি উত্তর দিব, মোটেও না। আমি আমার একাকিত্বকে উপভোগ করেছি। যারা কোসেনে নতুন জীবন শুরু করেছো তাদের সাফল্য কামনা করছি। আশা করছি নতুন পরিবেশে তারা নিজেদের মানিয়ে নিয়ে কৃতিত্বের সাথে বাংলাদেশের নাম অক্ষুণ্ণ রাখবে।


ওকাজাকি, ২২শে এপ্রিল ২০০৪