বালাবাসার ক্ষমতা
দুনিয়ায় এক একটা জাতি এক একেকটা কাজ ভালা পায়। জাপানিজরা কি হন্দর যন্ত্রপাতি বানায়। আর চাইনিজরা ক্যামনে এততো কম টাকায় জিনিসপত্র বানাইয়া দুনিয়া কবজা করইরা লইছে। হ্যাগো কারবার দেইখ্যাই টাসকি খাইয়া যায়। তয় হামরা বাংয়ালরাও একটা জিনিস ভালা পারি। তা হইলো বালাবাসতে।
মালেশিয়ায় মাইয়াগো একবার জেগাস কইরছিল - ক্যান তারা বানগালদের এত বিয়্যা কইরবার চায়। হেনার কইছিল, বানগালরা ভালা কইরা বালাবাসতে পারে। তয় হেইটা বিছানায়, নাকি কবিতায়, নাকি টাকা পয়সার, হেইটা লইয়া কিচ্ছু কয় নায়। তয় মন দিয়্যা যে বালোবাসনের খমতা বানগালদের আছে তাহা বুঝন যায়।
এয়ারপোর্ট থেইক্যা বাহির হইয়া দেহি, এক মা তার পোলারে জড়ায়ইয়া কি কান্দর কাদতাছে। কয়েক বছর পরে তার পোলা বিদ্যাশ থেকে আইছে। হেইটার খুশিতে মা আছাড় খাইয়া পড়ছে। পাশে তার বিয়্যা করা বৌ লজজায় মায়ের লাহান জড়াইয়্যা ধরে নায়। তয় পিঠে হাত দিয়ে ধইরা ছিল - তা আমি দ্যাখছি। সেই হাতে যে কি বালাবাসা ছিল - তা ঠিকই ট্যার পাইছি। হেই লোকটা গতর খাইটা তার পুরা পরিবারকে টাইনা নিয়্যা গেছে। ঈদের দিনেও ওবারটাইম কইরা, ছ্যাদে যাইয়া লুকাইয়া কইছে আমি আজকে ইদে ছুটি লইছি। হেহটা যে ভুয়া কথা তার বোও বুঝবার পারছে। ভাই বোনদের ব্যাবাক আবদার পুরান করতে যাইয়া হে যে ফতুর হইয়্যা গ্যাছে - হেইদিকে কোন হুশ নাই। শরিরটারেও হেকটু জুরাইতে দ্যায় নায়।
হেই লোকেরা যে দরাজ দিল দিইয়্যা তাদের পরিবাররে বালাবাসে - তাতে কোন ফাকি নাই। তাই বলতাছি বাংয়ালরা বালা কইরা বালাবাসতে পারে। সেলুট আমার জাতভাইদের।
পদ্মা পাড়ের কবি এই মশিউরের থাইক্যা কদমবুছি পোইছাইয়া দিয়েন ব্যাবাকরে।