তুমরা মরো নাই, তুমরা নাই হইয়া গ্যাছো
ছেইলেবেলায় ঢাহার হেইখানটায় অহন
হাজার হাজার কারাগারের লাগান
ইট পাথর দিয়্যা ক্যামন যে
দালান কইরা রাখছো তোমরা?
হেই বুড়িগনগার পাড়ে-
মুই বইয়া দূরের গেরাম দেইখতাম
ইট আর তারে বাধা থাকতো নদীর পাড়খান।
পাশেই ছিলো হেই সাত-মসজিদ খান।
হেই পানি গুলান যে কই গ্যালো?
হেই বুড়িগনগা খান মোর নাই হইয়া গ্যালো।
কি কইল্যা?-
“নাই” হয়নাইক্যা, “মইরা” গ্যাছে?
বাজান হেই দুইটা কথা এক লয়।
তোমরা মঙ্গলকাব্য, ময়মনসিংহ গীতিকা
আর বৈষ্ণব পদাবলী হারাইয়া য্যামন “নাই” হইয়া গ্যাছো।
হেই বুড়িগনগাখান ত্যামনই নাই হইয়া গ্যাছে, মরে নাই।
হেইল্যাইগ্যা এই পদ্মাপাড়ের কবি কয়,
মইরা যাওয়া আর নাই হইয়া যাওন এক কথা লয়।
তুমরা মরো নাই, তুমরা নাই হইয়া গ্যাছো।