পড়াশুনা নাকি করন দরকার নাই!

তারিখ নেই · 2 মিনিটের আনুমানিক পাঠ

কইয়েন তো দেখি এইটা একখান কথা হইলো,

আইজকালকার সোসাল মিডিয়ায় -

যাগো লইয়া সবাই হৈ চৈ করে,

হালারা কয় যে পড়াশুনা করন লাইগবো না।

পরীক্ষায় ফেইল করলেও চিনতার কিসছু নাইক্যা।

ইসকুল না পইরাই রবিনদোরানাথ নাকি নোবেল পাইছে,

তা হইলে কুটি কুটি গরীব ছাউলরা যে ইসকুলে পড়তে পারে না,

রবি দাদার লহন হ্যারাও ইসকুল ফাকি দিয়া দ্যায়,

তয় আইজ আমাগো কুটি কুটি নোবেল পাওনের কথা।

এই ছাগল গুলা নাকি চেলিবেরিটি।

ফেকবুকে লাইভে তার লাখে লাখে ফলোয়ার।

আমাগো পড়াতে “মদন পাগলা” আছিল,

হ্যারে যখন শেকল পড়াইতো

তখন লাখ লাখ লোক জড়ো হইতো।

পাগলদের দ্যাইখ্যা মাইনসে একটু সুখ পায়।

মুইন চায় হেই সকল ফেকবুক চেলিবেরিটিগো

মাথাটা কামাই কইরা -

হেই মদন পাগলার লাগান শেকল পড়াই।

তথন হ্যাগো গোঁথ গোঁথ

শুউরের লাহান শবদে একটু মজা লইতাম।

ছোটন পুলাপাইন, তোমাগো বলতাসি,

সূর্যের মতন আলো দিতে হইলে

নিজেকে সূর্যের মতন পুড়াইতে হইবো,

তয়  তোমার আলোতে হক্কলে আলোকিত হইবো।

কচি বয়স হইলো- নিজেগো গড়ার সময়,

এই সময়ে যত পরো- শিখ, পড়ো।

শুননাই, ইকরা বিসমি দিইয়াই শুরু হইছিল

পাক কুরআনের কথা।

পইড়াই শুরু করতে হইবো জীবনটা,

নিজেকে পকতো কইরা গড়তে হইবো।

এই সব পাগল ছাগল সেলিবেরিটিগো

কথা শুইন্যা টাসকি খাইয়ো না।

তাই পদ্মাপাড়ের কবি কয়,

সূর্যের মতন আলো দিতে হইলে

নিজেকে সূর্যের মতন পুড়াইতে হইবো।